‘টাকার বিনিময়ে ভাই সাক্ষী হয়েছেন, সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন’: মানিক পশারীর ভাই-বোন
পিরোজপুর প্রতিনিধি।। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর ভাই-বোনের বিস্ফোরক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বলে সম্বোধন করেছেন। অন্যদিকে তার ছোট ভাই চান মিয়া পশারী দাবি করেছেন, টাকার বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী হয়েছিলেন মানিক পশারী।
রোববার পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেনা পশারী এই মন্তব্য করেন। বড় ভাইয়ের সাক্ষী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তখন তিনি খুলনায় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। এর পর থেকে এই বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ বা কথা হয়নি।
হেনা পশারী সাংবাদিকদের বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন। তার বড় ভাই কিসের জন্য ও কেন এই কাজ করেছেন, তা শুধু তিনিই জানেন আর আল্লাহ জানেন। এই ব্যাপারে তাদের কিছু না জিজ্ঞাসা করাই ভালো বলে তিনি মন্তব্য করেন। গত ৫ আগস্টের পর তাদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনার সময় তারা আশপাশেই ছিলেন বলে জানান।
এদিকে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে মানিক পশারীর ছোট ভাই চান মিয়া পশারী দাবি করেছেন, তার ভাই মূলত টাকার বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষী হয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই সাক্ষাৎকারটি ফেসবুকে প্রথম পোস্ট করেন পিরোজপুর-১ আসনের এমপি ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী।
মাসুদ সাঈদী মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করে বলেন, সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কারণেই মানিককে পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর মানিক পশারীর বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।











