ঢাকা | অক্টোবর ৬, ২০২৬ - ৭:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

স্বাস্থ্য

সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবায় ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট।। দেশের দুর্গম এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সেবার সুযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে শীর্ষস্থানীয় নিত্যব্যবহার্য পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) এবং সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আওতায় দেশের ২০টিরও বেশি জেলার প্রায় ৪২ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিরেক্টর (কাস্টমার স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড চ্যানেল এক্সেলেন্স) জিশান বায়েজিদ রহমান এবং ফ্রেন্ডশিপের সিনিয়র ডিরেক্টর (লিগ্যাল) ও সিএফও মুহাম্মদ শামীম রেজা।

এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাতক্ষীরা, শ্যামনগর, কুষ্টিয়া, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট, মোংলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, জামালপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, দক্ষিণ সুরমা, চাঁদপুর, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, কুড়িগ্রাম ও পাবনাসহ বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, মা ও শিশুর সুস্থতা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা হবে।

উদ্যোগটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে সরাসরি কাজ করবেন ফ্রেন্ডশিপের ৬৯০ জন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁরা তৃণমূলের মানুষের কাছে ডিটারজেন্ট পাউডার, কাপড় কাচার সাবান, ডিশওয়াশিং বার, টয়লেট ক্লিনার, টুথপেস্ট, গোসলের সাবান ও হ্যান্ডওয়াশের মতো প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা পণ্যের প্রাপ্তি সহজ করতে সহায়তা করবেন।

পাশাপাশি, এই অংশীদারত্ব ফ্রেন্ডশিপ কমিউনিটি মেডিকেইডস (এফসিএম)-এর উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করা ইউনিলিভারের তৃণমূল পর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং ফ্রেন্ডশিপের বিস্তৃত সামাজিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে দুর্গম এলাকার মানুষের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সম্পর্কিত