ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ঢাবি সংবাদদাতা।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার মান আরও বাড়িয়ে একে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়; দেশের রাজনৈতিক, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু।
আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিনিধিত দলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলমও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় উপাচার্য ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমীয়া সম্পর্ক জোরদার এবং বিশ্বের বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমসহ সাম্প্রতিক নানা পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগদানের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য, উক্ত সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতিমধ্যে সম্মতি দিয়েছেন।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শিক্ষার মানোন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি, যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরি হয়। গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে প্রতিপক্ষ ও বিরোধী দলকেও পর্যাপ্ত সুযোগ ও পরিসর দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।











