ঢাকা | সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ - ৭:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

সম্পাদকীয়

প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনে টেকসই উন্নয়নের নতুন পথ

মো. মামুন হাসান।। বিশ্ব পর্যটন দিবস এবার একটি প্রশ্নের সামনে বিশ্বকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, প্রযুক্তি পর্যটনের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠবে, নাকি পর্যটন প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত রাখবে। দেশি ও বিদেশি সংবাদমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারণী সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলো পড়লে বোঝা যায়, এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কাজ এখন বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত আলোচনায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্যও এই আলোচনা নিছক তাত্ত্বিক নয়, কারণ ঠিক এই মুহূর্তে দেশে একটি নতুন পর্যটন মহাপরিকল্পনা ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। তাই প্রশ্ন হলো, এই নীতিমালায় ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, এবং বিশ্বের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ কী শিখতে পারে।

আন্তর্জাতিক নীতি কাঠামো, ওইসিডি ও জি সেভেনের অভিজ্ঞতা

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা তথা ওইসিডি তাদের সাম্প্রতিক ট্যুরিজম ট্রেন্ডস অ্যান্ড পলিসিস ২০২৬ প্রতিবেদনে ৫৩ দেশের পর্যটন খাতের নীতিগত অগ্রগতি বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনের মূল সুপারিশ হলো, উপাত্ত, ডিজিটালাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ করতে হবে যাতে সময়োপযোগী, বিস্তারিত ও অংশীজনের মধ্যে ভাগযোগ্য তথ্যভান্ডার তৈরি হয়, যা গন্তব্য ব্যবস্থাপনা ও প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্তগ্রহণকে সহজ করবে। প্রতিবেদনটি আরও বলছে, দেশগুলো এখন কৌশলগতভাবে পর্যটন উন্নয়নের ধরন পুনর্বিবেচনা করছে, যাতে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ফলাফলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

এই নীতিগত সতর্কতার পেছনে একটি বড় কারণ হলো এআইয়ের নিয়ন্ত্রণহীন প্রসারের ঝুঁকি। জি সেভেন জোটের দেশগুলো এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ দেখিয়েছে। ওইসিডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জি সেভেন নেতারা জেনারেটিভ এআইয়ের উদ্ভাবনী সম্ভাবনা স্বীকার করেও দায়িত্বহীন ও অনৈতিক ব্যবহারের গুরুতর ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছেন, এবং এআইয়ের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনকে একটি অভিন্ন নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করে হিরোশিমা এআই প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর পাশাপাশি ওইসিডির এআই নীতি নির্ধারণী নীতিমালা, যা ২০১৯ সালে গৃহীত হয়ে ২০২৪ সালে হালনাগাদ হয়েছে, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, মানবাধিকার সম্মান, স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতার মতো পাঁচটি মূল্যভিত্তিক স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা সাতচল্লিশটি দেশ ও সংস্থা মেনে চলছে। বাংলাদেশের জন্য এই কাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হতে পারে, বিশেষত যখন দেশে নতুন পর্যটন নীতিমালা প্রণয়ন চলছে।

প্রতিবেশী ও তুলনীয় দেশগুলোর অভিজ্ঞতা

বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভারত এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে আগ্রাসীভাবে এআইকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করছে। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পর্যটকদের বহুভাষিক তথ্য, ব্যক্তিগতকৃত ভ্রমণসূচি ও রিয়েল টাইম আবহাওয়া ও যানজট তথ্য দেওয়া হচ্ছে, এবং সম্প্রতি ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয় গুগলের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে যাতে এআই ব্যবহার করে গন্তব্যের ডিজিটাল প্রচার আরও শক্তিশালী করা যায়। এর চূড়ান্ত প্রয়োগ দেখা গেছে মহাকুম্ভ মেলায়, যেখানে কুম্ভসহায়ক নামের একটি বহুভাষিক চ্যাটবট কোটি কোটি তীর্থযাত্রীকে সহায়তা করেছে, এগারোটি ভাষায় সেবা দিয়ে, এবং এই আয়োজন উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতিতে প্রায় তিন লাখ কোটি রুপির প্রভাব রেখেছে বলে জানা যায়। ভারতের গোয়া রাজ্য এমনকি একটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন কেন্দ্র হয়ে ওঠার লক্ষ্যে এআই মিশন ২০২৭ চালু করেছে।

সৌদি আরবের অভিজ্ঞতাও শিক্ষণীয়। দেশটি ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, এবং ২০২৪ সালেই প্রায় ১০০ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক পর্যটক স্বাগত জানিয়েছে। দিরিয়াহ গেট ও নিওম মেগাসিটির মতো প্রকল্পে এআই ও স্মার্ট সিটি প্রযুক্তি এই কৌশলের মূল ভিত্তি। একই প্রতিবেদনে দেখা যায়, দক্ষিণ কোরিয়া শহরভিত্তিক এআই ট্রাভেল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করেছে এবং মেক্সিকো বড় পর্যটন আয়োজনে এআই চ্যাটবট ব্যবহার করছে ভিড় ব্যবস্থাপনার জন্য। এই সব দেশের অভিজ্ঞতায় একটি অভিন্ন সুর স্পষ্ট, পর্যটনে এআই গ্রহণ করা হচ্ছে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণ কৌশলের অংশ হিসেবে, বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হিসেবে নয়।

বাংলাদেশের নীতিগত অগ্রগতি, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

দেশীয় সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশও এখন একটি উল্লেখযোগ্য নীতিগত মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সারা দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি সম্ভাব্য পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে, এবং পাশাপাশি পর্যটন নীতিমালা ২০২৬ প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় আগামী চার বছরে ২৬ হাজার ৩৯০ কোটি টাকার বিনিয়োগে ৬০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পর্যটন খাতে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ উদ্যোগ। এর আগে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের জন্য প্রস্তুত করা মহাপরিকল্পনায় লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, ২০৪১ সালের মধ্যে বার্ষিক ৫ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণের।

এই পরিকল্পনার একটি ইতিবাচক দিক হলো কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম মডেলের ওপর জোর দেওয়া, যেখানে পর্যটন এলাকার বেকার যুবক ও নারীদের শেফ, ওয়েটার বা কারিগর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে, এবং গারো ও মণিপুরির মতো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে সাংস্কৃতিক পর্যটনের অংশ করে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলো পড়ে স্পষ্ট হয়, এই মহাপরিকল্পনার আলোচনায় এখনো ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি মূলধারার নীতিগত উপাদান হিসেবে যুক্ত হয়নি, যদিও একই সময়ে সরকার বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য হিসেবে ঠিক এই বিষয়টিকেই বেছে নিয়েছে। অর্থাৎ প্রতিপাদ্য ও পরিকল্পনার মধ্যে একটি সমন্বয়হীনতা থেকে যাচ্ছে, যা আগামী দিনে পূরণ করা জরুরি।

এই সমন্বয়হীনতার প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। ১১৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৯ নম্বরে, যা এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৯টি দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের মধ্যেও সর্বনিম্ন। ভারত উনচল্লিশ নম্বরে, শ্রীলঙ্কা ছিয়াত্তর নম্বরে এবং পাকিস্তানও একশো এক নম্বরে থেকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। সূচকের পাঁচটি মাত্রার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে খারাপ করেছে পর্যটন সহনশীলতা তথা টিকে থাকার সক্ষমতার মাত্রায়। এই তথ্য আমাদের বলে দেয়, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদের বিচারে বাংলাদেশের ঘাটতি নেই, ঘাটতি রয়েছে নীতি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতিতে, ঠিক যেখানে ডিজিটাল রূপান্তর সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে।

বৈশ্বিক বাজারের আকার ও সম্ভাবনার মাপকাঠি

নীতিনির্ধারণের জন্য বাজারের আকার বোঝা জরুরি। ইউএন টুরিজমের হিসাবে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটক সংখ্যা রেকর্ড ১ দশমিক ৫২ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যেখান থেকে বৈশ্বিক আয় হয়েছে প্রায় ১ দশমিক ০৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটনের অবদান প্রায় ১০ শতাংশ। ২০২৬ সালে এই খাতে তিন থেকে চার শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই বিশাল ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রবেশের প্রধান দ্বার এখন ক্রমেই এআই চালিত অনুসন্ধান হয়ে উঠছে। স্কিফটের গবেষণা বলছে, এআই সুপারিশে হোটেলের উপস্থিতির হার এখনো মাত্র ৬ শতাংশ, বাকি সুপারিশ আসছে অনলাইন ট্র্যাভেল এজেন্সি ও সম্পাদকীয় সংবাদমাধ্যম থেকে। এর অর্থ, বাংলাদেশের গন্তব্য ও ছোট উদ্যোক্তারা যদি এই তথ্যভান্ডারে জায়গা না পান, তাহলে আগামী দিনের পর্যটন বাজারে তাদের দৃশ্যমানতা কমতেই থাকবে, দেশের নিজস্ব প্রচারণা যত ভালোই হোক না কেন।

 

নীতিগত সুপারিশ, তুলনামূলক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা

প্রথমত, চলমান পর্যটন নীতিমালা ২০২৬ ও মহাপরিকল্পনায় ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই বিষয়ক একটি স্বতন্ত্র অধ্যায় সংযোজন করা প্রয়োজন, যেমনটি ওইসিডির সদস্য দেশগুলো তাদের নীতিতে করছে। দ্বিতীয়ত, ১ হাজার ৪৯৮টি চিহ্নিত পর্যটন স্থানের তথ্য একটি একক জাতীয় ডিজিটাল তথ্যভান্ডারে রূপান্তর করতে হবে, যাতে ভারতের ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া প্ল্যাটফর্মের মতো এআই সহায়ক অ্যাপ ও আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ব্যবস্থা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারে। তৃতীয়ত, কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম মডেলে যে যুবক ও নারীদের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা আছে, তার সঙ্গে ডিজিটাল মার্কেটিং ও এআই সাক্ষরতা প্রশিক্ষণ যুক্ত করা প্রয়োজন, যাতে সুবিধা কেবল বড় প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত না হয়। চতুর্থত, ভারতের মহাকুম্ভ মেলার কুম্ভসহায়কের মতো একটি বহুভাষিক এআই সহায়ক চ্যাটবট কক্সবাজার, সুন্দরবন বা সিলেটের মতো প্রধান গন্তব্যের জন্য তৈরি করা যেতে পারে, যা বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অন্যান্য ভাষায় পর্যটকদের সহায়তা দেবে। পঞ্চমত, জি সেভেনের হিরোশিমা এআই প্রক্রিয়া ও ওইসিডির এআই নীতিমালার আলোকে একটি জাতীয় নৈতিক এআই ব্যবহার নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে পর্যটকের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। ষষ্ঠত, সৌদি আরবের মতো দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বার্ষিক ডিজিটাল অবকাঠামো বিনিয়োগের পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে, বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়। সপ্তমত, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সূচকে সবচেয়ে দুর্বল দিক হিসেবে চিহ্নিত পর্যটন সহনশীলতা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, কারণ ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল টেকসই ভিত্তি ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

শেষ কথা

দেশি ও বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও গবেষণা প্রতিবেদনের সমন্বিত পাঠ থেকে একটি বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন পর্যটন নীতির কেন্দ্রীয় বিষয়, প্রান্তিক আলোচনা নয়। বাংলাদেশের হাতে এখন একটি বিরল সুযোগ আছে, কারণ পর্যটন মহাপরিকল্পনা ও নীতিমালা এখনো প্রণয়নাধীন অবস্থায় আছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে যদি ডিজিটাল রূপান্তরকে পরিকল্পনার প্রান্তে না রেখে কেন্দ্রে স্থাপন করা যায়, তাহলে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান তিন শতাংশ থেকে ছয় থেকে সাত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য শুধু উচ্চাশা থেকে বাস্তবতায় রূপ নিতে পারে। অন্যথায়, বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য প্রতি বছরের মতোই একটি সুন্দর স্লোগান হয়েই থেকে যাবে, বাস্তব রূপান্তর ঘটবে না।

 

লেখক: মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা।

সম্পর্কিত