রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন, বিতরণ করা হলো বিভিন্ন প্রজাতির চারা
রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে রাঙামাটির রাজস্থলীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজস্থলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও চারা বিতরণ কর্মসূচি।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোন ৩৮ বীরের অধীন রাজস্থলী সাবজোনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প অধিনায়ক মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত, রাজস্থলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ উপানন্দ দাশ, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ, ১ নম্বর ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা, ২ নম্বর গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশ নেন হেডম্যান, ওয়ার্ড সদস্য, কারবারি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম ধাপে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ার একটি সামাজিক অঙ্গীকার।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও পরিবেশবান্ধব ও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।











