ঢাকা | মে ৮, ২০২৬ - ৪:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

চীন-জাপানে যাচ্ছে পিরোজপুরের বোম্বাই মরিচ

  • আপডেট: Friday, May 8, 2026 - 2:42 pm

পিরোজপুরের বোম্বাই মরিচ এখন আর শুধু দেশের বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে চীন, জাপান ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে। বোম্বাই মরিচ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে জেলার নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলার কয়েক হাজার পরিবার।

বিশেষ করে ‘ঘৃতকুমারী’ নামে পরিচিত সুগন্ধি বোম্বাই মরিচের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক বিদেশের বাজারে। সুন্দর ঘ্রাণ ও তীব্র ঝালের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এর আলাদা কদর তৈরি হয়েছে। ফলে এই মরিচ রপ্তানি করে পিরোজপুরের চাষিরা অর্জন করছেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।

 

জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই পারিবারিক চাহিদা মেটাতে আঙিনায় বোম্বাই মরিচ চাষের প্রচলন রয়েছে। তবে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) ও নাজিরপুরে বোম্বাই মরিচ বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের চাহিদা পূরণের জন্য চাষ হলেও ধীরে ধীরে লাভজনক কৃষি খাতে পরিণত হয়েছে।

 

নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর, কুড়িয়ানা, মাহমুদকাঠি, কামারকাঠি এবং নাজিরপুরের বেলুয়া, মুগারঝোড়, বৈঠাকাটা, বিলডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে এই মরিচ চাষ হচ্ছে। ২০১১-২০১২ সালে প্রথমবারের মতো এখান থেকে জাপানে রপ্তানি শুরু হয়, এরপর থেকে প্রতিবছরই রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক মাহমুদ হোসেন জানান, একটি বোম্বাই মরিচ গাছ থেকে বছরে ৩০০ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত মরিচ পাওয়া যায়। একবার গাছ লাগালে দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায় এবং খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। মৌসুমে প্রতিটি মরিচ খুচরা বাজারে ৩ থেকে ১০ টাকা এবং পাইকারি ২ থেকে ৩ টাকায় বিক্রি হয়।

 

মরিচ ব্যবসায়ী বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, ‘চাষিদের কাছ থেকে মরিচ সংগ্রহ করে আকারভেদে ভাগ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। ঢাকার কারওয়ান বাজার ও ঠাটারি বাজারে এসব মরিচ সরবরাহ করা হয়, যেখান থেকে বিদেশে রপ্তানি করা হয়।’