বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
ঢাবি সংবাদদাতা।। বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে গত বুধবার (৭ অক্টোবর) এই তালিকা প্রকাশ করে। একই সাথে প্রকাশিত দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায়ও শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার মান ও প্রভাবের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে এই তালিকাকে বিবেচনা করা হয়। বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন (উদ্ধৃতি), এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এবারের তালিকায় স্থান পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক এবং ব্র্যাকেটে তাঁদের বৈশ্বিক অবস্থান (র্যাংক) হলো— মো. রাকিবুল হক (৪৬,১০৪), আবদুস সালাম (৫৩,৫০৩), মো. মাহবুবুর রহমান (৫৬,২৫৫), তসলিম উর রশিদ (৬৭,০৪৯), মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ (৬৭,২৮০), এম. রেজাউল ইসলাম (৮৪,৪৮০), সুবর্ণ বড়ুয়া (৯৪,২০৭), নেপাল চন্দ্র রায় (১০১,৭৪৬), মো. কাওসার আহমেদ (১১২,৫৩১), সৈকত মিত্র (১২৪,২৯০), এম. এ. বি. এইচ. সুসান (১৪৭,১২১), মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম (১৫৬,৬৭০), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (১৫৮,৯০৮), শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম (১৯৮,৭০১), মো. আবদুস সালাম (২০৬,৯১৮), খন্দকার সামাহের সালেম (২৫২,৬৯৫), মোহাম্মদ ফেরদৌস (২৭০,৫২৩), মোহাম্মদ আব্দুল মতিন (৩০৭,১৩১), মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩৫০,৬৯১), এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল (৩৫৩,২৯৯), মো. আবদুর রশীদ (৩৯২,৫৩৬) এবং অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী (৭৪৩,৮৩৪)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, “বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় আমাদের ২২ জন গবেষকের স্থান পাওয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এটি আমাদের গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।”
উপাচার্য আরও জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে দেশে জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। গবেষণার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেন আরও বেশি সংখ্যক গবেষক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবদান রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।











