ঢাকা | এপ্রিল ৩০, ২০২৬ - ১০:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ইসলামপুরে মাইক্রোচালক হত্যা: গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

  • আপডেট: Thursday, April 30, 2026 - 9:37 pm

ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে মাইক্রোচালক ও তিন সন্তানের জনক ফয়লাল মোহাম্মদ সেলিম বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় ইসলামপুর নতুন অফিস বাজার মহাসড়কে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সেলিম আকবর, অ্যাডভোকেট মো. তারেক, জামায়াত নেতা মো. সাহাব উদ্দিন, ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, দেলোয়ার হোসেন, ইউসুফ নবী, মাস্টার আবু তাহের, নিহতের চাচা মাস্টার মোস্তাক আহমদ, মো. সেলিম কোম্পানি, নিহতের বাবা সোলায়মান, মাতা দিলদার বেগম, স্ত্রী জেসমিন ও মামা ইফতেখার মিল্টনসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, খুনিরা এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। বরং তারা নিহতের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মধ্যম নাপিতখালী এলাকার সোলায়মান ড্রাইভারের ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ সাজিয়ে একটি চিংড়ি ঘেরে নিয়ে গিয়ে কয়েক দফা নির্মম নির্যাতন করা হয়।

একপর্যায়ে তার স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে ২৮ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালের আইসিইউতে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। ২৬ এপ্রিল নিহতের মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।