ঢাকা | জুন ৮, ২০২৬ - ১২:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন

  • আপডেট: Monday, June 8, 2026 - 11:18 am

ডেস্ক রিপোর্ট।। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৭জুন) রাতে সিডনির লাকেম্বার লাইব্রেরি হলে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রলিয়া বিএনপির সভাপতি এএফএম তাওহীদুল ইসালাম। সঞ্চালনা করেন শফিউল আলম শিফক।

প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বলেন, ‘এত কিছুর বিনিময়ে বিএনপি ১৭ বছর পর বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় এসেছে। এই শাসন ক্ষমতাটার পেছনে অনেক রক্ত, অনেক গুমের ইতিহাস আছে। অনেক ত্যাগের ইতিহাস আছে, আপনাদের অবদানের বিষয়গুলোও আছে। সুতরাং বিএনপি যাতে ক্ষমতাটা সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে পারে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আছি, আমি সেটা বলব না। ক্ষমতা শব্দটি খুবই খারাপ। আমরা বলব রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছি। এই দায়িত্বটি যাতে আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারি। সমালোচনার উর্ধ্বে উঠে এই দায়িত্ব পালন করতে পারি, কোনো কর্মির বিরুদ্ধে যাতে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জুলম ও অন্যায় এই সমস্ত অভিযোগ না উঠে আমাদের খুব সজাগ থাকতে হবে। আমরা সজাগ থাকলে মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসনের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।‘

বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক। তিনি বলেন, ‘ রাষ্ট্রের বর্তমান কর্ণধার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আপনাদের অনুরোধ করব। যার যার অবস্থান থেকে সবাই সহযোগিতার হাত প্রশারিত করবেন, দলকে ও দেশকে এগিয়ে নেবেন এই আশা করব।’

এসময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা, দেশপ্রেম, এবং তাঁর বহুল কর্মময় জীবনে ওপর আলোকপাত করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ন-সম্পাদক পদমর্যদায়) অমি ফেরদৌস আলোচনায় অংশ নেন।

তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্ম হয়েছিল কিছু কারণে। বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে উনি ছিলেন বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। স্বাধীনতা যুদ্ধে রণাঙ্গনে থেকে যুদ্ধ করে আমাদের দেশকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন, এই কারণে তার জন্ম হয়েছিল। স্বনির্ভর বাংলাদেশসহ বাংলাদেশের সব উন্নয়নের রূপকার ছিলেন তিনি। সেটার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছিলেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তাদের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। তারেক রহমান যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন, তা সত্যই প্রশংসনীয়।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির কোষাধক্ষ্য মনজুরুল হক আলমগীর।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিক ড. মনিরুজ্জামান। অস্ট্রেলিয়ার নিউক্যাসের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়া ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

সমাপনি বক্তৃতায় অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এএফএম তাওহিদুল ইসলাম শহীদ জিয়ার বহুল কর্মময় জীবনের আলোচনার পাশাপাশি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। উদহারণ স্বরূপ তিনি জিয়ার হত্যাকাণ্ড ও খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া, প্রধানমন্ত্রী তারক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে হত্যা-চেষ্টার সরাসরি ভারতকে দায়ী করেন তিনি। প্রধানামন্ত্রী তারেক রহমানের নদী সংক্রান্ত প্রজেক্টগুলো ভারতকে তাঁর ওপর আগ্রাসি গড়ে তুলবে বলেও মনে করেন তিনি।

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান, জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ শাখার আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শিবলি ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,  আশরাফুল ইসলাম, জয় আহমেদ সুলতান, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, আরিফুর রহমান, খাজা দাউদ হোসেন, আশওয়াদুল হক বাবু, মশিউর রহমান তুহিন, ইঞ্জিনিয়র সাইফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান লাবু, মোকসেদ আলম দীপু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মফিজুল ইসলাম সাগর, আব্দুল আলীম, আবিদা সুলতানা, আজিজুন নাহার মালা, আহসান হাবিব, আবু বকর সিদ্দিক, শাহীনূর রহমান, আবুল হোসেন, হারুনর রশিদ, মনির হোসেন বাপ্পি, মোহাম্ম রফিক, সাইদুল ইসলাম, মোম্মদ রাসেল মিয়া, মোহাম্মদ ফারদিন, মিঠু ব্যাপারির, নূরে আলম, খায়রুল আমিন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফিক, শেখ মোহাম্মদ থমাস, মোহাম্মদ আলম প্রমুখ।