ঢাকা | জুলাই ২১, ২০২৬ - ৪:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ২৬ হাজার গাছের চারা বিতরণ, মাদ্রাসা-এতিমখানায় শুকনো খাদ্য সহায়তা

  • আপডেট: Sunday, July 19, 2026 - 6:52 pm

 

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ২৬ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ‘পরিকল্পিত বনায়ন গড়ি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ০৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দ্য বেবি টাইগার্স)-এর আওতাধীন দীঘিনালা জোন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

এ উপলক্ষে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৪ নম্বর টাওয়ার টিলা এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম সাহিদা সুমাইয়া বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও এতিমখানার ২৫০ জন ছাত্রীর মধ্যে ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি খেজুর, চিড়া, বিস্কুট, মুড়িসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।

দীঘিনালা জোন সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিকে একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে মোট ২৬ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিনের নির্দেশনায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে দীঘিনালা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রুশাদ বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবাই যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

এ সময় জোনের ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল আজমী, কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমাসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।