ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ - ২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

কোটা পুনর্বহালের দাবির প্রতিবাদে পিসিসিপির নিন্দা

  • আপডেট: Thursday, September 17, 2026 - 10:39 pm

 

 

বান্দরবান প্রতিনিধি:

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি চাকরিতে ‘উপজাতি কোটা’ পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচি এবং ব্যানারে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি), বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখা।

 

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান সরকারি কলেজ শাখা’র ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে পাহাড়ের স্থিতিশীল পরিস্থিতি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলন পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক সংস্কারের দাবি সামনে আসে। ওই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের আত্মত্যাগের পর কোটা পুনর্বহালের দাবি উত্থাপনকে জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে পিসিসিপি।

 

সংগঠনটির দাবি, দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠীর জন্য বর্তমানে যে কোটা ব্যবস্থা রয়েছে, তার বাইরে নতুন করে ৫ শতাংশ কোটা দাবি অযৌক্তিক। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বাঙালি জনগোষ্ঠীর জন্যও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, কর্মসূচির ব্যানারে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সংগঠনটির মতে রাষ্ট্রীয় অবস্থানের পরিপন্থী। এছাড়া বান্দরবান সরকারি কলেজ শাখার ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

 

পিসিসিপি বলেছে, শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যবহার না করে তাদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পাহাড়ের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে উসকানিমূলক বা বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ড পরিহারের আহ্বান জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে সরকারকে কর্মসূচির পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড হলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করার কথাও জানায় সংগঠনটি।

 

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক।