কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের দাবিতে ঢাকায় নাগরিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ঊষা চত্বরে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের আয়োজনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) খন্দকার ফরিদুল আকবর এবং প্রধান বক্তা ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর (অব.) হারুনুর রশিদ, এডভোকেট জাকির সিরাজী, আলহাজ্ব শরিফ শাকি, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ আজম খান, এম এ সোহেল আহমেদ, এস এম সায়েদুল ইসলাম, সেলিম রেজা বাচ্চু, শাহ আলম, কবি ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসী ও জহিরুল কবিরসহ অনেকে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ ৬০ হাজার এবং বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে এই হার আরও বেশি, যার বড় একটি অংশ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই বেকারত্বের হার তুলনামূলক বেশি।
বক্তারা আরও বলেন, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মমুখী না হওয়ায় উচ্চশিক্ষা শেষে অধিকাংশ শিক্ষার্থী চাকরির পেছনে ছুটছে, কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বেকারত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে দক্ষতা ও কর্মমুখী করে গড়ে তুললে তরুণরা নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।
এসময় বৈশ্বিক অস্থিরতা, সংঘাত ও অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নৈতিকতা গড়ে তুলতে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ সময়ের দাবি। তারা উল্লেখ করেন, চীন, রাশিয়া, কিউবা, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে।
কর্মশালা থেকে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু এবং ছাত্র-যুবকদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।











