ঢাকা | জুলাই ২৭, ২০২৬ - ১১:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মহেশখালী ও ঈদগাঁও উপজেলায় নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু

  • আপডেট: Monday, July 27, 2026 - 9:59 pm

ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

কক্সবাজার জেলার নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলায় একটি নতুন ফায়ার স্টেশন এবং মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে একটি ‘বিশেষ শ্রেণির’ ফায়ার স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে সম্ভাব্য জমির তথ্য ও প্রস্তাব জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ফায়ার স্টেশনবিহীন ২৯টি উপজেলায় নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদগাঁও ও মহেশখালীতে নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম. এ. আজাদ আনোয়ার স্বাক্ষরিত ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখের এক পত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমি নির্বাচনের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘বিশেষ শ্রেণির’ ফায়ার স্টেশনের জন্য ১ দশমিক ৫০ একর এবং ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণির ফায়ার স্টেশনের জন্য ১ একর জমি প্রয়োজন হবে। নির্বাচিত জমি অবশ্যই প্রধান সড়কসংলগ্ন, উঁচু, সমতল ও ঝুঁকিমুক্ত হতে হবে। এছাড়া মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান বা শ্মশানের জমি এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইনের নিচের এলাকা পরিহার করতে হবে। ফায়ার স্টেশনের সামনের অংশের প্রস্থ ন্যূনতম ২৪০ ফুট (১০ শতাংশ কমবেশি) রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে সম্ভাব্য মৌজার নাম, জমির বাজারমূল্য, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় মতামতসহ প্রতিবেদন দ্রুত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন দুটি ফায়ার স্টেশন স্থাপিত হলে ঈদগাঁও, মহেশখালী ও মাতারবাড়ী এলাকার অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।