ঢাকা | জুন ২৭, ২০২৬ - ৯:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রামগড়ে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামী পলাতক

  • আপডেট: Saturday, June 27, 2026 - 6:48 pm

রামগড় প্রতিনিধি।।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জুলাই শহিদের মাদ্রাসা পড়ুয়া এক আত্মীয়াকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিম সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর এক সহপাঠিনীর বাবা ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার এ অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে ভিকটিমের মামা বাদি রামগড় থানায় একটি লিখিত অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজির আলম শনিবার বিকাল ৪ টায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, ‘শুক্রবার রাত ১২ টার দিকে ভিকটিমের মামা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এখনো মামলা রুজু হয়নি। তবে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে। আসামী গ্রেফতারেও পুলিশ তৎপর আছে।’

ভিকটিমের আত্মীয় জুলাই শহিদ মজিদের বড় ভাই মইন জানান, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিপাড়া এলাকায় নানির বাড়ির রান্নাঘরে একাকী কাজ করছিল ভিকটিম (১৩)। এসময় জুমার নামাজ শেষে বাড়ি যাওয়ার পথে প্রতিবেশি ওমর ফারুক (৪০) রান্নাঘরে ঢুকে তাকে প্রথমে কুপ্রস্তাব দেয়। ভিকটিম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর সে তাকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওমর ফারুক টেনে হেঁচড়ে তার পড়নের কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। এসময় ভিকটিম আর্তচিৎকার শুরু করলে ওমর ফারুক পালিয়ে যায়। মইন আরও জানান, ওমর ফারুক ভিকটিমের প্রতিবেশি। তার মেয়ে ভিকটিমের ক্লাসমিট। ঘটনার সময় ভিকটিমের নানী পার্শ্ববর্তী জলাশয়ে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিলেন। বাসার অন্য সদস্যরা রামগড়ে আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে গেছিলেন। ভিকটিম একাই রান্না করছিল তখন। বাসায় একা পেয়েই ওমর ফারুক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সে পেশায় চা দোকানদার। তিনি জানান, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ওমর ফারুক গা ঢাকা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে রামগড় থানায় গিয়ে ওমর ফারুকের নামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ভিকটিমের এক মামা বাদি হয়েছেন।

এদিকে, রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজির আলম শনিবার বিকাল ৪ টায় জানান, ‘দুপুরে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটলেও ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন রাত ১২ টার দিকে থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিকটিমের স্বজনদের সঙ্গে ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা চালায় ওমর ফারুকের পক্ষ। এভাবে সারা দিন দেন-দরবার চালার পর ব্যর্থ হলে গভীর রাতে ভিকটিমের পক্ষ থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। ততক্ষণে অভিযুক্ত ওমর ফারুক পালিয়ে যায়।’