ঢাকা | জুন ২৭, ২০২৬ - ৩:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

উরুগুয়েকে বিদায়, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে স্পেন

  • আপডেট: Saturday, June 27, 2026 - 1:16 pm

 

স্পোর্টস ডেস্ক।। স্পেনের বিপক্ষে উরুগুয়ে কখনো জিততে পারেনি। ১১টি মুখোমুখি লড়াইয়ে ৫টিতে জিতেছে স্পেন, ৬টি ড্র। বিশ্বকাপে ইতোপূর্বে এই দুই দলের ৩ বারের লড়াইয়ে তিনটিই ড্র। ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে সবার আগে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করা স্পেনের জন্য এই ম্যাচটি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিতের। মেক্সিকোর স্তাদিও গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে হাই ভোল্টেজ এই ম্যাচে ২ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের চ্যালেঞ্জটা ছিল একটু বেশি। প্রথম ২ রাউন্ড শেষে কেপ ভার্দের সঙ্গে পয়েন্ট সমান থাকায় ( ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট) গ্রুপ রাউন্ডের শেষ ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প কিছুই ছিল না তাদের।

এই সমীকরণের ম্যাচে মরনকামড় দেওয়ার কথা তাঁদের। তবে স্পেনের কৌশলগত ফুটবলের কাছে পাত্তা পায়নি উরুগুয়ে। মেলাতে পারেনি তাঁরা কঠিন সমীকরণ। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ মিশন থেমে গেল উরুগুয়ের। ১৯৩০ এবং ১৯৫০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে পঞ্চমবারের মতো এবার গ্রুপ রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হলো। একই সময়ে হিউস্টন স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের সঙ্গে গোলশুণ্য ড্র করে এইচ গ্রুপ থেকে রানার্স আপ হয়ে নক আউট পর্বে উঠে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে। টানা তিন ম্যাচ ড্র করে বিস্ময়কর সাফল্যে রাউন্ড অব ৩২ এ উঠে গেছে তাঁরা। ‘এইচ’ গ্রুপে রানার্স আপ হয়ে নক আউট পর্বে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেল কেপ ভার্দে।

৪-২-৩-১ ফরমেশনে খেলে বল দখলের নিয়ন্ত্রন ৬৭% রেখে উরুগুয়েকে এলোমেলো করে দিয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে সেই লিড ধরে রেখেছে স্পেন। খেলার ৪২তম মিনিট উরুগুয়ে ডিফেন্ডাররা বল ক্লিয়ারে ব্যর্থ হলে ডান প্রান্ত থেকে মার্কোস লরেন্তে দিয়েছিলেন নিচু ক্রস। ওই পাসটি পেয়ে অ্যালেক্স বেনা নিয়েছেন কোনাকুনি শট। যে শটটি উরুগুয়ে গোলরক্ষক মুসলেরা ডাইভ দিয়েও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। তার হাত ফসকে বল গোললাইন অতিক্রম করেছে (১-০)।

ব্যবধান দ্বিগুন করার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন স্পেনের বদলি স্ট্রাইকার দানি ওলমো। খেলার ৬০ মিনিটের মাথায় মিডফিল্ডার মিকেল মারিনোর জায়গায় মাঠে ঢুকে তিন মিনিটের মধ্যেই গোলের সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন দানি ওলমো।

খেলার ৬৩তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে ইয়ামাল দ্রুতগতিতে এগিয়ে ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন তাঁর বার্সেলোনা টিমমেট দানি ওলমোকে। সতীর্থ ফিনিশিংটা দিতে পারেননি ওলমো। যথেষ্ট জায়গা ও সময় পেয়েও বলটি গোলপোষ্টের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন।

খেলার শেষ ১০ মিনিটে স্পেনের সীমানায় বেশ কটি আক্রমন করে একাধিকবার গোলের সুযোগ তৈরি করেও বিফল হয়েছে উরুগুয়ে।

খেলার ৮২ তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে একটি পরিকল্পিত আক্রমে সমতার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। অলিভেরা উরুগুয়ের হয়ে প্রথম অন-টার্গেট শটটি নিয়েছিলেন। স্পেনের এই গোলরক্ষক কোনো ঝুঁকি না নিয়ে কর্নারের বিনিময়ে সেই শটটি প্রতিহত করেন। এর ৪ মিনিট পর সমতার সুযোগ পেয়েছিল উরুগুয়ে। দে লা ক্রুজ জোরালো শট নিয়েছিলেন। তবে স্পেন গোলরক্ষক সাইমন তা দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেছেন।

খেলার ইনজুরি টাইমে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেছেন উরুগুয়ে মিডফিল্ডার আগুস্তিন কানোবিও। তাতে হেরেও হতাশা বেড়েছে উরুগুয়ের।