ঈদ উপলক্ষে মোংলায় শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
মোংলা বাগেরহাট প্রতিনিধি।। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোংলা বন্দরের ২ হাজার ৮১০ জন তালিকাভুক্ত শ্রমিক ও কর্মচারীর মুখে হাসি ফোটাতে প্রতি বছরের ন্যায়
বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (১৬ই মার্চ) সকালে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী
সংঘ চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশে সারিবদ্ধভাবে শ্রমিকদের হাতে এসব উপহার তুলে দেন বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রতিনিধিরা।
বিতরণ অনুষ্ঠানে মোংলা বন্দর স্টিভিডরস অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শ্রমিক-কর্মচারী সংঘের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, “মোংলা বন্দর আজ যে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাচ্ছে, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এই ঘাম ঝরানো শ্রমিকদের। তাদের কষ্টের বিনিময়েই সচল থাকে বন্দরের চাকা। ঈদ যেন তাদের পরিবারের জন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে, সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
মোংলা বন্দরে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে, ১০ কেজি চাল, ১ কেজি পোলাও চাল, ২ কেজি মশুর ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি চিনি, ১টি লাইফবয় সাবান, ১ কেজি লবন, ৫০০ গ্রাম সেমাই এবং ২০০ গ্রাম প্যাকেট দুধ।
শ্রমিক নেতা মো. আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, বন্দর ব্যবহারকারী মাহবুবুর রহমান মানিক, মোঃ টুটুল উপস্থিত ছিলেন।
শ্রমিক নেতাদের মধ্যে মো. মনিরুজ্জামান মনির, কাজী ফারুক, সেতু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও ছিলেন। মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন আয়োজনের যুগ্ম সম্পাদক মো. মহাসিন সহ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ও শ্রমিক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘের (সিবিএ) সহযোগিতায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, স্টিভিডরস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মহসিন সহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের নেতারা জানান, বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। বিশেষ করে উৎসবের সময়গুলোতে শ্রমিকরা যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সচ্ছলভাবে ঈদ কাটাতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, মোংলা বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে দিনরাত কাজ করে যাওয়া এই শ্রমিকদের জন্য প্রতি বছরই বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করে আসছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মোংলা বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো।











