স্বপ্নের দৌড় থামলো দক্ষিণ আফ্রিকার, শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোয় কানাডা
স্পোর্টস ডেস্ক।। বিশ্বকাপে নিজেদের স্বপ্নের দৌড় শেষ হল দক্ষিণ আফ্রিকার। রাউন্ড অব ৩২-এ কানাডার বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল বাফানারা। গোটা ম্য়াচে দুরন্ত লড়াইও করেছিল তাঁরা। কিন্তু একেবারে খেলার শেষে অতিরিক্ত মিনিটে বাঁশি বাজার আগে গোল করে কানাডাকে শেষ ষোলোয় পৌঁছে দিলেন কানাডার অধিনায়ক স্তিফেন এস্তাকিয়ো। যোগ্য দল হিসেবে কানাডা শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল। সেখানে তাঁরা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস বনাম মরক্কো ম্য়াচের বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে।
খেলার শুরু থেকেই কানাডার সামনে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ২০১০ সালে নিজেদের দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নেমেছিল বাফানারা। কিন্তু এরপরে গত ১৬ বছরে তিনটি বিশ্বকাপে আর সুযোগ পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলার সুযোগ পেয়ে নক আউটেও জায়গা করে নিয়েছিল হুগো ব্রুসের দল। আর নক আউটে কানাডার বিরুদ্ধেও অঘটন ঘটানোই লক্ষ্য ছিল তাদের। কিন্তু কানাডার ফুটবলারদের অভিজ্ঞতার কাছেই মূলত হার মানতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।
কানাডার স্ট্রাইকিং এন্ডে জোনাথন ডেভিড ও তানি ওলুওয়াসেয়িকে একেবারেই ছন্দে মনে হয়নি ম্যাচে। নইলে বেশ কয়েকবার দক্ষিণ আফ্রিকার ডি বক্সে ঢুকে পড়েও গোলমুখ খুলতে পারেননি দুজনেই। তবে কানাডার হয়ে এদিনের ম্যাচে মূলত খেলেছে মিডফিল্ড। যা চাপে রেখেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্সকে। বারবার আক্রমণ করছিল কানাডার মিডফিল্ড। বিশেষ করে বলতে হয় ক্যাপ্টেন এস্তাকিয়োর সঙ্গে সালিবা ও বুচাননের কথাও।
প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটের মাথায় কানাডার ডি বক্সের কাছাকাছি চলে এসেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাইট উইং মাসেকো। কিন্তু তিনি বল ক্লিয়ার করার আগেই কানাডার ডিফেন্স আঁটোসাটোভাবে আটকে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইংকে। বাঁশি বাজার ঠিক আগে কানাডার ক্যাপ্টেন এস্তাকিয়ো কর্নার শট নেন।
সেখান থেকে বোম্বিতা হেড করলে বলটি গোললাইন থেকে বাঁচান দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার মদিবা। সেখান থেকে ফিরতি শট নেয় কানাডার ফুটবলার, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক সজাগ ছিল। সেখানে একটি সহজ সুযোগ মিস করে কানাডা।
এরইমাঝে একটি পেনাল্টির আবেদনও করেন কানাডার ফুটবলাররা। কানাডার লারিয়া বল নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বক্সে ঢুকে গেলে সেখানে তাঁকে ট্যাকল করেন আফ্রিকার ডিফেন্স লাইন। মুদাউয়ের ট্যাকেলে বক্সের ভেতরে পড়ে গিয়েছিলেন লরিয়া। যদিও রেফারি পেনাল্টির আবেদন মানেননি। দ্বিতীয়ার্ধে নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যন্তও কোনও দলই গোল করতে পারেনি। তবে সংযুক্তি সময়ের শেষে গোল করে প্রথম দল হিসেবে কানাডাকে শেষ ষোলোয় পৌঁছে দেন এস্তাকিয়ো।











