ঢাকা | জুলাই ২৮, ২০২৬ - ৪:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

দেশে এককোটি মানুষ হেপাটাইটিসে আক্রান্ত, বছরে মারা যাচ্ছে ২১ হাজার

  • আপডেট: Tuesday, July 28, 2026 - 3:13 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বাংলাদেশে বর্তমানে হেপাটাইটিস ভাইরাসের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ছে এবং এটি একটি অন্যতম প্রধান জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  সাম্প্রতিকতম প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেপাটাইটিস ‘সি’ ও ‘বি’ সংক্রমণের বৈশ্বিক তালিকায় উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতি নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ভয়াবহ পরিসংখ্যান
আক্রান্তের সংখ্যা: দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাসে আক্রান্ত।
মৃত্যুর হার: প্রতি বছর দেশে এই ভাইরাসের কারণে লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২০ থেকে ২১ হাজার মানুষ মারা যান।
অজ্ঞতা: আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৯০% মানুষই জানেন না যে তাদের শরীরে এই নীরব ঘাতক ভাইরাসটি রয়েছে। ফলে একদম শেষ পর্যায়ে গিয়ে রোগটি ধরা পড়ে।

২ হেপাটাইটিস বৃদ্ধির প্রধান কারণসমূহ
নীরব সংক্রমণ: হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’ ভাইরাসের অন্যতম বড় সমস্যা হলো, প্রাথমিক অবস্থায় শরীরে কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না। এটি বছরের পর বছর লিভারের ক্ষতি করতে থাকে।

অসচেতনতা ও কুসংস্কার: জন্ডিস বা লিভারের সমস্যা দেখা দিলে হাসপাতালে না গিয়ে গ্রামীণ ওঝা-কবিরাজের কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক, ডাব পড়া বা পানি পড়া খাওয়ার প্রবণতা এখনও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

অনিরাপদ চিকিৎসাব্যবস্থা: সেলুন বা বিউটি পার্লারে একই ব্লেড বা ক্ষুর ব্যবহার, হাসপাতালে চিকিৎসার সময় সিরিঞ্জ ভাগাভাগি এবং অনিরাপদ উপায়ে রক্ত সঞ্চালনের কারণে এই রক্তবাহিত ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উচ্চ সংক্রমণ: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে হেপাটাইটিস সি-এর সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেশি, যা সামগ্রিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

৩. সাধারণ লক্ষণসমূহ
রোগটি শরীরে দানা বাঁধলে সাধারণত যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়:

অতিরিক্ত ক্লান্তি ও ক্ষুধামন্দা
পেটব্যথা ও বমি বমি ভাব
চোখ ও প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হওয়া (জন্ডিস)
৪. প্রতিরোধ ও করণীয়
চিকিৎসকদের মতে, সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই রোগ সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব:
স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা: প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা (HBsAg ও Anti-HCV) করে নিজের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

টিকাদান (Vaccination): হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের অত্যন্ত কার্যকর টিকা রয়েছে। যারা আক্রান্ত নন, তারা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পন্ন করুন।

ব্যক্তিগত সচেতনতা: অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড, ক্ষুর বা টুথব্রাশ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন এবং যেকোনো ইনজেকশন নেওয়ার সময় নতুন সিরিঞ্জ নিশ্চিত করুন।

চিকিৎসা থাকলেও বাড়ছে হেপাটাইটিসের ঝুঁকি
এটি একটি স্বীকৃত জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি। চিকিৎসকরা বলছেন, অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ‘হেপাটাইটিস বি’ সবচেয়ে বেশি আলোচিত। দেশে এ রোগের সংক্রমণের হার বৈশ্বিক গড় চিন্তার বাহিরে। প্রতি বছর ভাইরাল হেপাটাইটিসজনিত লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারে ২০-২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে হেপাটাইটিস নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে গণ-স্ক্রিনিং, ভ্যাক্সিনেশন এবং জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংকটের ভয়াবহতা ও পরিসংখ্যান
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে লিভারের নানাবিধ জটিলতার প্রধান কারণ হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাস। ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় হেপাটোলজিস্টদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮৫ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৫৭ লাখ পুরুষ এবং ২৮ লাখ নারী। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রজননক্ষম (১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী) নারীদের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ এই ভাইরাসের বাহক এবং প্রায় ৪ লাখ শিশু ইতিমধ্যেই এতে আক্রান্ত। দেশের প্রায় ১৫ লাখ পরিবারে অন্তত একজন হেপাটাইটিস রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে, হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে, যার সাধারণ সংক্রমণ হার ০.৬ শতাংশ হলেও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে এই হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি।

নীরব ঘাতক ও অসচেতনতার দেয়াল
হেপাটাইটিস ভাইরাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এর কোনো প্রাথমিক উপসর্গ থাকে না। আক্রান্ত ব্যক্তি বছরের পর বছর লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও সুস্থ মানুষের মতো জীবনযাপন করতে পারেন। রোগটি যখন লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যানসারের মতো শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখনই কেবল লক্ষণগুলো দৃশ্যমান হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ৯০% আক্রান্ত মানুষই জানেন না যে তাদের শরীরে এই ভাইরাসটি রয়েছে। ফলে তারা সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না এবং অজান্তেই পরিবারের অন্য সদস্যদের মাঝে এটি ছড়িয়ে দেন। গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে জন্ডিস হলে ওঝা, কবিরাজ বা ভেষজ চিকিৎসার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এই মৃত্যুর ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সংক্রমণের প্রধান উৎসসমূহ
বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি ও সি মূলত রক্ত ও শরীরের তরল পদার্থের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন: চিকিৎসাকালীন সময়ে স্ক্রিনিং ছাড়া রক্ত আদান-প্রদান করা।
২. দূষিত সুচ ও সিরিঞ্জ: হাসপাতালে বা মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার।
৩. সেলুন ও পার্লার: ব্লেড, ক্ষুর বা সুচ জীবাণুমুক্ত না করে একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার।
৪. অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্ক: অসচেতনভাবে অরক্ষিত মেলামেশার মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার।
৫. মা থেকে শিশুতে: প্রসবের সময় আক্রান্ত মায়ের শরীর থেকে নবজাতকের দেহে ভাইরাস সংক্রমণ।

পাশাপাশি, হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ ভাইরাস সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়, যা দেশের শিশুদের মধ্যে জন্ডিসের অন্যতম প্রধান কারণ। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের ৭৬.৬% হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাসে আক্রান্ত।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নতুন উদ্বেগ
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে হেপাটাইটিস সি-এর সংক্রমণ বর্তমানে অত্যন্ত মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের সাম্প্রতিক চিকিৎসা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২২ শতাংশই হেপাটাইটিস সি-পজিটিভ।

চিকিৎসকদের মতে, মায়ানমারে অনিরাপদ চিকিৎসাব্যবস্থা এবং সেখানে দীর্ঘকাল চিকিৎসার সুযোগ না পাওয়াই এর মূল কারণ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে স্থানীয় ও সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যে ভাইরাসের ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

অর্থনৈতিক বোঝা ও চিকিৎসার বাস্তবতা
হেপাটাইটিস শুধু একটি শারীরিক অসুস্থতা নয়, এটি একটি মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র পরিবারের জন্য চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের লিভার বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সিংহভাগ খরচ রোগীকে নিজে বহন করতে হয়। হেপাটাইটিস ‘বি’ ধরা পড়লে তার আজীবন ওষুধ ও নিয়মিত পরীক্ষার ব্যয় কয়েক লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যেতে পারে। অথচ, সঠিক সময়ে সামান্য খরচে রক্ত পরীক্ষা এবং টিকার মাধ্যমে এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি ও অকালমৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সুখের বিষয় হলো, বর্তমানে বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাসের সব ধরনের আধুনিক ও বিশ্বমানের ওষুধ অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য। চিকিৎসকদের মতে, হেপাটাইটিস ‘সি’ এখন মাত্র ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের ওষুধের মাধ্যমে শতভাগ নিরাময়যোগ্য রোগ।

উত্তরণের উপায় ও করণীয়
২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে দ্রুত কিছু রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে:
বার্থ ডোজ ভ্যাক্সিনেশন: নবজাতক জন্মানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের ‘বার্থ ডোজ’ বা প্রথম টিকা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যদিও দেশে ইপিআই কর্মসূচিতে এই টিকা রয়েছে, তবে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়ার হার এখনও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম।

জাতীয় এনআইডি ভিত্তিক স্ক্রিনিং: মিসর বা তাইওয়ানের মতো সফল দেশগুলোর উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ব্যবহার করে দেশের প্রতিটি নাগরিকের হেপাটাইটিস পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা উচিত। এতে করে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা যাবে এবং সুস্থদের টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

চিকিৎসার বিকেন্দ্রীকরণ: শুধুমাত্র ঢাকা বা বড় শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালের ওপর চাপ না কমিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে হেপাটাইটিস স্ক্রিনিং ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: দেশের সমস্ত হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ব্লাড ব্যাংকে নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ডেন্টাল ক্লিনিক এবং অপারেশন থিয়েটারে শতভাগ জীবাণুমুক্ত বা ওয়ান-টাইম যন্ত্রপাতি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাপক জনসচেতনতা: গণমাধ্যম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেপাটাইটিসের ভয়াবহতা, ছড়ানোর উপায় ও প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করতে হবে।

হেপাটাইটিস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, এটি অবহেলা ও অসচেতনতার রোগ। সঠিক সময়ে পরীক্ষা, আক্রান্তদের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা এবং সুস্থদের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যেই এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারবে।

 

অজ্ঞতা: আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৯০% মানুষই জানেন না যে তাদের শরীরে এই নীরব ঘাতক ভাইরাসটি রয়েছে। ফলে একদম শেষ পর্যায়ে গিয়ে রোগটি ধরা পড়ে।

সাধারণ লক্ষণসমূহ
রোগটি শরীরে দানা বাঁধলে সাধারণত যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়:

ক্লান্তি ও ক্ষুধামন্দা
পেটব্যথা ও বমি বমি ভাব
চোখ ও প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হওয়া (জন্ডিস)
৪. প্রতিরোধ ও করণীয়
চিকিৎসকদের মতে, সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই রোগ সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব:
স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা: প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা (HBsAg ও Anti-HCV) করে নিজের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

টিকাদান (Vaccination): হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের অত্যন্ত কার্যকর টিকা রয়েছে। যারা আক্রান্ত নন, তারা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পন্ন করুন।

ব্যক্তিগত সচেতনতা: অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড, ক্ষুর বা টুথব্রাশ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন এবং যেকোনো ইনজেকশন নেওয়ার সময় নতুন সিরিঞ্জ নিশ্চিত করুন।