ঢাকা | জুন ২৮, ২০২৬ - ৯:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

কর্ণফুলীতে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট: Sunday, June 28, 2026 - 7:56 pm

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী দাবি করা মো. নুরুল ইসলামের পরিবার।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে শিকলবাহা চৌমুহনীস্থ কর্ণফুলী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নুরুল ইসলাম সওদাগরের ছেলে মো. সালাউদ্দিন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি একটি গেটের দরজা নিয়ে তার বাবা হাজী নুরুল ইসলাম ও তার ফুফির মধ্যে পারিবারিকভাবে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় তার বাবা কর্ণফুলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্ণফুলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমাম হোসেনের উদ্যোগে থানায় একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ ইসমাইল, কর্ণফুলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি ও শিকলবাহা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য তৈয়বুল আলম আংকুর, ইঞ্জিনিয়ার ইসমাইল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যস্থতায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে সালাউদ্দিন অভিযোগ করেন, তার ফুফি সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে পুনরায় তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ তাদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবি করা অর্থ না পেয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া, নারী সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হলেও সেসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পরিবারকে হয়রানি থেকে রক্ষায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন মো. সালাউদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নুরুল ইসলাম, জনাব আলী, মো. ইলিয়াস, গোলাম হোসেন, সৈয়দ আহমদ (মানবাধিকার কর্মী), মো. কাসেম, মো. আলম, মো. ইউনুস, মো. ফোরকান, মো. দিদার, আলী হোসেন, আবদুস সালাম এবং মো. ইসমাইল।