ঢাকা | জানুয়ারী ১২, ২০২৬ - ৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

নির্ধারিত সময়ের আগেই কেপিএম থেকে ইসিতে গেল ৯১৪ মেট্রিক টন কাগজ

  • আপডেট: Sunday, January 11, 2026 - 5:59 pm

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজের জন্য রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত কর্ণফুলি পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) থেকে বাংলাদেশ স্টেশনারি অফিসের (বিএসও) মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে ৯১৪ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই এই কাগজ সরবরাহ সম্পন্ন করেছে কেপিএম কর্তৃপক্ষ।
সরবরাহকৃত কাগজের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ টাকা বলে জানা গেছে। বিএসও’র চাহিদাপত্রের বিপরীতে কেপিএম থেকে এই কাগজ সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশন ব্যালট পেপার ছাপানোসহ নির্বাচনী বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় কেপিএম-এর বোর্ডরুমে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, “২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সাড়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কার্যক্রম শুরু করি। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানোর জন্য নির্বাচন কমিশন বিএসও’র মাধ্যমে কেপিএম থেকে ব্রাউন, সবুজ ও গোলাপি রঙের কাগজের চাহিদাপত্র দেয়। ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে কাগজ সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও আমরা ১১ জানুয়ারির মধ্যেই পর্যায়ক্রমে বিএসও’র কাছে সম্পূর্ণ কাগজ সরবরাহ করেছি।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিএসও’র মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে আরও ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহ করা হবে। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত কেপিএম-এ মোট ১৯ হাজার ৩০ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদন সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেপিএম-এর জেনারেল ম্যানেজার (কমার্শিয়াল) আবদুল্লা আল মামুন, উৎপাদন বিভাগের প্রধান মঈদুল ইসলাম এবং জিএম (অ্যাডমিন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ।
প্রসঙ্গত, রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কর্ণফুলি পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) একটি রাষ্ট্রায়িত কাগজ ও মণ্ড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কাগজকলগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৫০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রথম দিকের শিল্প কারখানাগুলোর একটি, যা কারখানা আইনের আওতায় নিবন্ধিত হয়। বর্তমানে কেপিএম বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।