ঢাকা | জুন ৭, ২০২৬ - ৮:২০ অপরাহ্ন

৭৪ ভোটের মধ্যে ৭৩ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল

  • আপডেট: Sunday, June 7, 2026 - 6:47 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আজ (৭ জুন) উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিসিবি কার্যালয়ের বোর্ড রুমে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই ভোটগ্রহণ চলে।

বিকেল চারটায় ভোট শেষ হওয়ার পর শুরু হয় টানটান উত্তেজনার ভোট গণনা, যা শেষ হয় সন্ধ্যা ছয়টায়। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং আলোচিত ক্লাব ক্যাটাগরি (ক্যাটাগরি-২) থেকে নতুন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ মোট ১২ জন সংগঠক।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ জন প্রার্থী লড়াই করেছিলেন, যার মধ্য থেকে ভোটারদের রায়ে ১২ জন পরিচালক পদে বসার টিকিট পেয়েছেন। এই নির্বাচনে চমকপ্রদ তথ্য হলো, ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ৭৩টি ভোট পেয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন তামিম ইকবাল। তার ঠিক পেছনেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২টি করে ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইসরাফিল খসরু।

এছাড়া নির্বাচিত অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মাসুদুজ্জামান ৭০ ভোট, ইয়াসির ফয়সাল ৬৮ ভোট, ফাহিম সিনহা ৬৬ ভোট, শাহনিয়ান তানিম ৬৬ ভোট, আসিফ রাব্বানি ৬৪ ভোট এবং মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩ ভোট পেয়েছেন। তালিকায় বাকি থাকা রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ ভোট এবং ড. মাহবুব শামীম ৪১ ভোট পেয়ে পরিচালনা পর্ষদে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছেন। সেই সাথে সাকেফ আহমেদ সালামও এই ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, এই জমজমাট লড়াইয়ে ১২ জনের কোটায় টিকতে না পেরে হেরে গেছেন ৪ জন প্রার্থী। পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে বোরহানুল পাপ্পু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ৪০ ভোট পেয়ে অল্পের জন্য ছিটকে যান। এছাড়া আমজাদ হোসেন ৩২ ভোট, ফয়জুর মিতু ২৩ ভোট এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ পেয়েছেন মাত্র ২০ ভোট।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ক্লাব ক্যাটাগরিতে এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭৬ জন, যার মধ্যে ৭৪ জন কাউন্সিলর সরাসরি উপস্থিত হয়ে ও ই-ব্যালটের মাধ্যমে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মাত্র দুটি ভোট কাস্ট হওয়া থেকে বাদ পড়েছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিসিবির ক্রিকেট প্রশাসনে এক নতুন ও গতিশীল নেতৃত্ব তৈরি হবে বলে আশা করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।