ঢাকা | জুন ২৫, ২০২৬ - ৭:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

দুর্গম পাহাড়ি জনপদের জীবনমান উন্নয়নে রাজস্থলীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

  • আপডেট: Thursday, June 25, 2026 - 6:41 pm

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রাজস্থলী উপজেলা মডেল মসজিদের সম্মেলন কক্ষে কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স থ্রু লোকালি-লেড ইনক্লুসিভ অ্যাডাপটেশন (CORLIA) প্রকল্পের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা।

প্রকল্পের উপজেলা কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স ফ্যাসিলিটেটর শেকি লেনিনা চাকমা এবং টেকনিক্যাল অফিসার শিখা চাকমার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নেমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুবজ্জামান রাজু, রাজস্থলী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আজগর আলী খান, সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, ইউপি সদস্য কামাল, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, কারবারি, জনপ্রতিনিধি ও পাড়া কর্মীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

বক্তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অভিযোজনভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন, পাহাড়ি ঝিরি ও পানির উৎস সংরক্ষণ এবং নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

সভাপতির বক্তব্যে গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা বলেন, “পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। উন্নয়নের সুফল যেন প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি পরিবার পায়, সে লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।”

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।