শেষ ১০ মিনিটের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শিরোপার দ্বারপ্রান্তে বার্সেলোনা
স্পোর্টস ডেস্ক।। বার্সেলোনার পারফরম্যান্স একদমই ভালো হলো না। তবে আসল লক্ষ্য ঠিকই পূরণ হলো তাদের। শেষ ১০ মিনিটের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ওসাসুনাকে হারিয়ে লিগ শিরোপা ধরে রাখার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল হান্সি ফ্লিকের দল।
প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতে লা লিগার ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। রবের্ত লেভানদোভস্কি সফরকারীদের এগিয়ে নেওয়ার পর, ব্যবধান বাড়ান ফেররান তরেস। স্বাগতিকদের একমাত্র গোলটি করেন রাউল গার্সিয়া।
৩৪ ম্যাচে ২৯ জয় ও এক ড্রয়ে ৮৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ কম খেলে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রেয়াল মাদ্রিদ।
এস্পানিওলের মাঠে রোববার রেয়াল জিততে ব্যর্থ হলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে বার্সেলোনা। তেমন কিছু না হলে, আগামী সপ্তাহে ঘরের মাঠে ক্লাসিকোয় হার এড়ালে ট্রফি জয় নিশ্চিত হয়ে যাবে কাতালান ক্লাবটির।
এল সাদরে প্রথম আধা ঘণ্টায় দুই দলের কারোর আক্রমণেই তেমন ধার ছিল না।
প্রথমার্ধে বার্সেলোনা ৭০ শতাংশের বেশি সময় পজেশন রাখলেও, প্রতিপক্ষের বক্সে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি তারা।
ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগটি তৈরি করে ওসাসুনা, ৩৬তম মিনিটে। তবে আন্তে বুদিমিরের শট দুর্ভাগ্যবশত পোস্টে বাধা পায়। দুই মিনিট পর আবার ভীতি ছড়ান তিনি, দূর থেকে শট নেন এই ক্রোয়াট স্ট্রাইকার, ঝাঁপিয়ে কোনোমতে বল বাইরে পাঠান হোয়ান গার্সিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে গোল পেতে পারতো বার্সেলোনা; কিন্তু এরিক গার্সিয়ার হেড পাস গোলমুখে পেয়ে পা ছোঁয়াতেই পারেননি দানি ওলমো।
বর্ণহীন আক্রমণে তীব্রতা আনতে ৬২তম মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন করেন বার্সেলোনা কোচ; ওলমো, গাভি ও রুনি বার্দগিকে তুলে ফেররান তরেস, ফ্রেংকি ডি ইয়ং ও মার্কাস র্যাশফোর্ডকে নামান তিনি।
অবশেষে ৮১তম মিনিটে ডেডলক ভাঙতে পারে তারা। র্যাশফোর্ডের ছয় গজ বক্সের মুখে বাড়ানো দারুণ ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান লেভানদোভস্কি।
এবারের লিগে পোলিশ তারকার গোল হলো ১৩টি। মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে হলো ১৮টি।
পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। ফের্মিন লোপেসের থ্রু বল ধরে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফেররান তরেস।
দুই গোল হজমের পরপরই একটি ফিরিয়ে দেয় ওসাসুনা। দারুণ হেডে গোলটি করেন রাউল গার্সিয়া।
এতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। তবে আর কোনো নাটকীয়তা হয়নি।
৩৪ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে আছে ওসাসুনা।











