ঢাকা | জুলাই ১৬, ২০২৬ - ৮:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বিয়ের পরের দিন মসজিদে থেকে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, শোকে মামার মৃত্যু

  • আপডেট: Thursday, July 16, 2026 - 6:08 pm

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি।। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বিয়ের মাত্র এক দিনের মাথায় মসজিদের ভেতর থেকে এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর ভাগনের মৃত্যুর খবর সইতে না পেরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার আপন মামা।

নিহত আব্দুল মালেক (২৫) উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় মুনাকাশা কাঁকড়া চৌপটি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। অপরদিকে, মারা যাওয়া আহিদুল ইসলাম (৪০) আব্দুল মালেকের আপন মামা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আনন্দ শেষ না হতেই বুধবার (১৫ জুলাই) দিনগত রাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে ছাদের কাঠামোর সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে ডিমলা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে ভাগনের মৃত্যুর সংবাদে গভীরভাবে মর্মাহত হন মামা আহিদুল ইসলাম। ভাগনের মরদেহ দেখতে এসে তিনি শোক সহ্য করতে না পেরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে দ্রুত জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, বিয়ের মাত্র এক দিন পর মালেকের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। একই সঙ্গে ভাগনের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মামার মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। আব্দুল মালেকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। কী কারণে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।