ঢাকা | মার্চ ৪, ২০২৬ - ১০:২৮ অপরাহ্ন

সংরক্ষিত কোটা থেকে কাপ্তাইয়ের রূপক মল্লিককে জেলা পরিষদের সদস্য করার দাবি

  • আপডেট: Wednesday, March 4, 2026 - 7:44 pm

ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বাসিন্দা ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত নেতা রূপক মল্লিক রাতুলকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ-এর সংরক্ষিত সনাতনী কোটা থেকে সদস্য করার দাবি উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ দাবি জানিয়েছেন।
রূপক মল্লিক রাতুল কাপ্তাই উপজেলার ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের কেপিএম কয়লার ডিপু এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্র ফোরাম রাঙামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট রাঙামাটি জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র-যুব ফ্রন্ট রাঙামাটি জেলার সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক এবং কাপ্তাই চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী প্রকল্প শ্রী শ্রী হরি মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সম্পৃক্ত।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা জানান, রূপক মল্লিক রাতুল দলের দুঃসময়ে ত্যাগ স্বীকার করে রাজনীতি করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাই তাকে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সনাতনী কোটা থেকে সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান তারা।
কাপ্তাই উপজেলার ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছোটন মল্লিক, চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক চিং মং মারমা এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইবনে জাহিদ সাকিব বলেন, রূপক মল্লিক রাতুল বিএনপির দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত কর্মী। দলের জন্য তার অবদান রয়েছে। তাকে জেলা পরিষদের সদস্য করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন।
রূপক মল্লিক রাতুল বলেন,
“বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যখন হিন্দু সম্প্রদায় থেকে বিএনপির রাজনীতিতে প্রকাশ্যে আসতে অনেকেই ভয় পেতেন, তখন আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতিতে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে তা সফল করার চেষ্টা করেছি।
আমি সবসময় তৃণমূল মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও কাপ্তাইসহ রাঙামাটির মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। যদি মাননীয় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি মহোদয় আমাকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবো।”