ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ২:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারীদের সংঘর্ষ, বিজিবির দুই সদস্য আহত

  • আপডেট: Monday, March 9, 2026 - 8:10 pm

বান্দরবান প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিজিবির দুই সদস্য আহত এবং এক চোরাকারবারি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলি সীমান্তবর্তী ৪৮ নম্বর পিলারের কাছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রেইক্যাছড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
আহত বিজিবি সদস্যরা হলেন— শরীফ (৩৪) ও রাজু (৩৫)। গুলিবিদ্ধ চোরাকারবারি হলেন কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ডাক্তারকাটা এলাকার মো. ইদ্রিসের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল প্রকাশ পুতিয়্যা (৪০)।
স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, সকালে মিয়ানমার থেকে ৪৮ নম্বর সীমান্ত পিলার হয়ে কিছু বার্মিজ গরু পাচার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা মিয়ানমার থেকে আনা বেশ কিছু গবাদিপশু জব্দ করে।
এ সময় চোরাকারবারীরা বিজিবির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে কয়েকজন চোরাকারবারি দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে বিজিবি টহল দলের ওপর হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিজিবি জানায়, আত্মরক্ষার্থে একপর্যায়ে তারা এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি ছোড়ে। এতে চোরাকারবারি ইসমাইলের তলপেটে গুলি লাগে এবং তিনি আহত হন। একই সময় চোরাকারবারীদের হামলায় বিজিবির দুই সদস্যও আহত হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিজিবির গুলিতে একজন চোরাকারবারি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম কপিল উদ্দিন কায়েস বলেন, মিয়ানমার থেকে পাচার হওয়া ৪০টি বার্মিজ গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চোরাকারবারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে বিজিবি টহল দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দুই বিজিবি সদস্য আহত হন এবং বিজিবির প্রতিরোধে একজন চোরাকারবারি আহত হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।