বাড়ছে হামের প্রকোপ, পরীক্ষায় গড়ে শনাক্ত ৩৫ শতাংশ
ডেস্ক রিপোর্ট।। সন্দেহভাজন হাম রোগীর নমুনা পরীক্ষায় ৩৫ শতাংশের শরীরে পাওয়া যাচ্ছে হামের ভাইরাস। জানুয়ারিতে ১৩ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে ২৪ শতাংশ হলেও মার্চ ও এপ্রিলে নমুনা পরীক্ষার এমন উচ্চ হারকে উদ্বেগজনক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ ক্যাম্পেইনে টিকা নেওয়ার পরামর্শও তাদের।
মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় পোলিও এবং হাম রুবেলা ল্যাবরেটরিতে দেশের নানা প্রান্তের ৭৮৭টি কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন হামের নমুনা নিয়ে আসছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০টি নমুনার পরীক্ষা করা হলেও এখন তা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।
জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় পোলিও এবং হাম রুবেলা ল্যাবরেটরির সাবেক প্রধান ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল বলেন, ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে একটু একটু করে শনাক্ত বাড়ছে। জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে, কিন্তু মার্চে বেশি বেড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় হামের সার্ভিলেন্স বা নিরীক্ষণের তথ্য অনুযায়ী সবশেষ ২০১৬ সালে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সে বছর দেশে হামের রোগী পাওয়া যায় ৯৭২ জন।
আর এ বছরের জানুয়ারি থেকেই হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায়,বেড়েছে নমুনা পরীক্ষার চাপও। বিশেষজ্ঞরা জানান, এই অবস্থা থেকে উত্তরনে হামের টিকার পাশাপাশি আক্রান্তদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে।
ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল বলেন, সারা দেশে যে ভ্যাকসিন শুরু হচ্ছে, সেখানে বাচ্চাদের নিয়ে যেতে হবে। এতে শিশুরা সুস্থ থাকবে।
জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা.ফাহমিদা খানম বলেন, আক্রান্ত শিশুদের তরল খাবার, প্রোটিন থাকে এমন খাবার দিতে হবে। ঘরে পরিষ্কার থাকতে হবে। রোগ ছড়াতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।











