ঢাকা | জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ - ১১:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

টেকনাফে গানে-স্লোগানে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

  • আপডেট: Sunday, January 25, 2026 - 7:55 pm

এম এ হাসান, টেকনাফ।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে এলাকায় এলাকায় জনসংযোগ, লিফলেট বিলি, দলীয় প্রতীক নিয়ে শোভাযাত্রা, গান বাজিয়ে ও স্লোগান দিয়ে নিজ নিজ এলাকায় সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
উখিয়া-টেকনাফ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এবং ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী নুর আহাম্মদ আনোয়ারি ও ‘বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন’ (হাত-পাখা) মার্কার মনোনয়নপ্রার্থী হাফেজ নুরুল হকও সক্রিয় হয়ে প্রচারণায় নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তাঁরা পথসভা, উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন।
প্রচারণাকালে বিভিন্ন এলাকায় দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ও পাল্টাপাল্টি উত্ত্যক্তমূলক বাক্য বিনিময়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবু মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক উত্তাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রার্থীরা উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাতে প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সকল পক্ষ সংযম প্রদর্শন করবে এবং সহিংসতা ও উসকানিমুক্ত পরিবেশে উখিয়া-টেকনাফে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টেকনাফে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ বজায় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় টেকনাফ পৌরসভার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে ‘ফুট পেট্রোলিং’ শুরু করে জিরু চত্বর (পূর্বের নাম শাপলা চত্বর) হয়ে উপজেলা শহীদ মিনার চত্বর পর্যন্ত এ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেন টেকনাফ নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট।