ঢাকা | মার্চ ১৫, ২০২৬ - ৪:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

চট্টগ্রাম বন্দরে ভুয়া সনদধারীকে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট: Sunday, March 15, 2026 - 12:49 am

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।

চট্টগ্রাম বন্দরে “লস্কর” পদ থেকে “ইনল্যান্ড মাষ্টার” পদে পদোন্নতি দিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বন্দরের কতিপয় অসৎ কর্মকর্তার তৎপরতা ও অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে এই অনিয়ম বহাল হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও চলছে তীব্র সমালোচনা।

জানা যায়, তৌহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি চট্টগ্রাম বন্দরে লস্কর পদে কর্মরত আছেন। পদোন্নতি পেতে বেশ কয়েক বছর যাবৎ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছেন। এদিকে তৌহিদুল ইসলাম যে “ইনল্যান্ড মাষ্টার” পদে পদোন্নতি নেবেন, তারও কোনো সনদ নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। গত কয়েকদিন ধরে বন্দর ভবনে এ নিয়ে চলছে কানাঘুষা।

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত তৌহিদুল ইসলামের ৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাষ্টার যোগ্যতা সনদ পরীক্ষার জন্য যে সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন, তা তার নেই। নৌপরিবহন অধিদপ্তরে যেসব কাগজপত্র জমা দিয়েছেন, তা ভুয়া ও জালিয়াতির মাধ্যমে বানানো বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট তার প্রমাণ হিসেবে বলা হয়েছে, মো. তৌহিদুল ইসলাম ২২/১০/২০১৩ ইং তারিখে চট্টগ্রাম বন্দরে লস্কর পদে নৌ-বিভাগে যোগদান করেন। উক্ত কর্মচারী দপ্তরাদেশ নং: ৭৭/২০১৪, তারিখ ০৩/০৪/২০১৪ আদেশের বলে ইঞ্জিন ড্রাইভারের অধীনে ক্লিনারের যাবতীয় কাজে যোগদান করেন। সুতরাং উক্ত কর্মচারী অভ্যন্তরীণ জাহাজ (লোক নিয়োগ, পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্টিফিকেট প্রদান) বিধিমালা ২০০১ অনুযায়ী ৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাষ্টার যোগ্যতা সনদ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা বা এখতিয়ার নেই বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

এসব বিষয় নিয়ে সম্প্রতি নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ৪ মার্চ ২৬ তারিখে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুক কর্তৃক স্বাক্ষরিত স্মারক নং- ১৮,০৪,০০০০,১৮১,০১১,০৬১-২০২১/৬৬ তৌহিদুল ইসলামের ইনল্যান্ড মাষ্টার ৩য় শ্রেণী পদোন্নতি বিষয়ে পত্র পাঠানো হয়।

ইনল্যান্ড মাষ্টার যোগ্যতা সনদ না থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি পাওয়ার বিষয়ে জানতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এরকম অভিযোগ থাকলে ভেরিফিকেশনে পাঠানো হবে, জালিয়াতি প্রমাণিত হলে বরখাস্ত করা হবে।