ঢাকা | এপ্রিল ১০, ২০২৬ - ৭:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে লক্ষীছড়ির মোবারক হোসেন’কে দেখতে চায় লক্ষীছড়িবাসী

  • আপডেট: Friday, April 10, 2026 - 4:09 pm

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।

খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে পরিচিত মুখ মো. মোবারক হোসেন’কে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখতে চাই-দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও বিভিন্ন মহলের সামাজিক সংগঠনগুলো।

সমাজের বিভিন্ন মহলে তাকে একজন ত্যাগী, সৎ, কর্মীবান্ধব ও সমাজমুখী, একজন পেশাদার সাংবাদিক ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

জানা যায়, নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে বিএনপির ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের কাছে আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন বর্তমান সাংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি নিষ্ঠার সাথে সেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন দীর্ঘ বছর ধরে এখনও অব্দি।

স্থানীয়দের মতে, তিনি রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলের হামলা-মামলা এবং চাপের মধ্যেও এলাকা ছাড়েননি। কঠিন সময়েও দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে সচল রাখার চেষ্টা করেছেন। একজন দলের দায়িত্বশীল ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে অনেক নেতা-কর্মীকে আইনি জটিলতা থেকে সহায়তা করার ভূমিকাও রেখেছেন বলে জানান তারা।

রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও মোবারক হোসেনের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তিনি লক্ষীছড়ি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি লক্ষীছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া উপজেলা সংগীত শিক্ষা, গণপাঠাগার ও বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি বিশেষভাবে যুক্ত রয়েছেন।

লক্ষীছড়িবাসীর অধিকাংশ মনে করেন, তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক, সমাজসেবার অভিজ্ঞতায় সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার কারণে তিনি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, তাকে নিয়ে সর্বমহলের মানুষজন জেলা পরিষদের সদস্য পদের দাবিতে লেখালেখি করতে এবং তিনি এখন উপজেলার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতায় আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।