ঢাকা | মার্চ ১৫, ২০২৬ - ৪:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

আগামীতে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বিবেচনায় আছে: শিক্ষামন্ত্রী

  • আপডেট: Sunday, March 15, 2026 - 1:02 pm

ডেস্ক রিপোর্ট।। আগামীতে নয় হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয় সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শুধু ইসলামিক শিক্ষা নয়, সব ধর্মেরই অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) এসব কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, আপনারা অবগত রয়েছেন, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমি অত্যন্ত গর্বিত, যে বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, একই বিষয়ে নবনির্বাচিত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষাকে সবচেয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সেই শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তনের জন্য ১৮০ দিনের প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা আমরা পেয়েছি।

তিনি বলেন, নৈতিক শিক্ষা বা ধর্মীয় অনুভূতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেটা ইতোমধ্যেই অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছে এবং সেজন্য আমাদের সমাজে দিন দিন অন্যায় বেড়েই যাচ্ছে।

তাই আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি বিষয় বিবেচনায় আছে। তবে প্রসঙ্গ রয়েছে কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট এবং সেই জায়গায় তারা কিরাতের শিক্ষক। অপরদিকে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কিরাত সাবজেক্টটি নেই বিধায় এই বিষয়ে একটি জটিলতা হচ্ছে। আমরা আশা করছি, অতি শিগগিরই এই সার্টিফিকেট বিষয়গুলোর সমাধান করে আমরা এই ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক অর্থাৎ ইসলামী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

আমরা ধর্মীয় শিক্ষা বলতে শুধু ইসলামিক শিক্ষা নয়, সব ধর্মেরই অনুভূতিকে আমরা প্রাধান্য দিয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।