স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি আবুল হোসেনের মালিকানাধীন একটি মুদি দোকানে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সোহেল রাঢ়ির নেতৃত্বে মুজাহিদ, জহিরুল ও সাইফুল সহ ১৫–২০ জনের একটি দল এ নিশংস হামলা চালায়। ওই ঘটনায় ১০ জানুয়ারি বাউফল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে স্বাক্ষী হিসেবে আবুল কাশেমের নাম থাকায় তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
আহত আবুল কাশেমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযুক্ত সোহেল রাঢ়ির সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাথে কথা বলা যায়নি তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মনে ভায় ও আতঙ্ক কাজ করছে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পূর্বের ঘটনায় বাউফল থানায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।