ঢাকা | জানুয়ারী ১, ২০২৬ - ৮:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

  • আপডেট: Thursday, January 1, 2026 - 4:21 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক।। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে আবাসিক এলাকাটির আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নাঈম কিবরিয়ার বাড়ি পাবনা সদর উপজেলায়। তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী ছিলেন।

ভাটারা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভাটারা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম বলেন, জানতে পেরেছেন— গতকাল রাত ১০টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন নাঈম। একপর্যায়ে ওই গাড়িটির সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে।

এরপর মোটরসাইকেলের চালকসহ অজ্ঞাতপরিচয় যুবকেরা নাঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনে বের করে সড়কে বেদম মারধর করে।

পরে তারা তাকে সেখানেই ফেলে রেখে চলে যায়। খবর পেয়ে নাঈমের খালাতো ভাই রফিকুল এসে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, নাঈম ‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, যে প্রাইভেট কারটি নাঈম চালাচ্ছিলেন, সেটিও ভাঙচুর করে সন্ত্রাসীরা।

রফিকুল জানান, নাঈম পাবনা থেকে কয়েক দিন আগে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় আসার কারণ ছিল, পাবনায় তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় মামলা করা হয়। জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন রাতে নাঈম তার এক বন্ধুর প্রাইভেটকার নিয়ে বের হয়েছিলেন। কিছু সময় পরে তার ফোনে কল আসে, তবে নাঈম কথা বলতে পারছিলেন না, শুধু হৈচৈ শোনা যাচ্ছিল। এর এক ঘণ্টা পর বসুন্ধরা এলাকার নিরাপত্তাকর্মী ফোন রিসিভ করে জানান— নাঈমকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে। পরে রফিকুল সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভাটারা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে আরও জানান, নাঈমের গলায়, হাত ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।