ঢাকা | এপ্রিল ২১, ২০২৪ - ৫:৪৭ অপরাহ্ন

আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সংবাদকর্মী

  • আপডেট: Tuesday, March 19, 2024 - 6:33 am

সিনিয়র রিপোর্টার।।

ঢাকার শিল্পাঞ্চল সাভারের আশুলিয়ায় অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে চাঁদাবাজির করার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে সদস্য ও গ্লোবাল টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি শাহীন আলম। এ সময় তার সাথে থাকা ক্যামেরাম্যানকে মারধর করা হয়। পরে তাদের ক্যামেরা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ান চেষ্টা করে হামলাকারীরা।

সোমবার (১৯ মার্চ) দুপুরে আশুলিয়ার জামগড়া ৬তলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত মুন্না আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা বাসিন্দা। তার নামে অস্ত্রসহ একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

হামলার শিকার সাংবাদিক শাহিন আলম জানান, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ফুটপাত দখল করে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকানপাট ও কাচাবাজারের স্থাপনা। প্রতিদিন এই সকল দোকান থেক ১০০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা নেয়া হচ্ছে । এমনকি মাসিক ভাবেও প্রতিটি দোকান থেকে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা তোলা হয় । এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমি আমার ক্যামেরাম্যানকে সাথে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। এ সময় ভিডিও ফুটেজ নিতে গেলে এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী কিশোর গ্যাং লিডার মুন্না ও তার বাহিনী ফুটেজ নিতে বাঁধা প্রদান করে। একপর্যায়ে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়।

তিনি আরও বলেন, এ সময় আমার ক্যামেরাম্যান ইমামুল হাসানের ওপরও হামলা চালানো হয়। পরে হামলাকারীরা আমাদের ক্যামেরা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। বর্তমানে আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে বেশ সংশয়ের মধ্যে আছি।

অন্যদিকে সাংবাদিকের ওপর চাঁদাবাজদের হামলার ঘটনায় ফেঁপে উঠেছে সাভার-আশুলিয়ার স্থানীয় সাংবাদিক মহল। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত চাঁদাবাজকে গ্রেফতারের জন্য কাজ করছে পুলিশ। তাদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে। সেই সাথে অবৈধ ভাবে ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠা সকল ধরণের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।