ঢাকা | এপ্রিল ২১, ২০২৪ - ৪:৫২ অপরাহ্ন

জিওসি মোড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ সিঁড়ির ৩৮টি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের উদ্ভোধন

  • আপডেট: Wednesday, February 7, 2024 - 3:06 pm
এম আর আমিন,চট্টগ্রাম।। 
 চট্টগ্রাম ব্যস্ততম জিইসি মোড়ে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চার সিঁড়ির ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র আলহাজ রেজাউল করিম চৌধুরী।চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন জায়গায় ৩৮টি ফুট ওভারব্রিজ সংস্থাটি নির্মাণ করবেন। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকার অধিক।ফুট ওভারব্রিজগুলো নির্মাণ হবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এয়ারপোর্ট রোডসহ বিভিন্ন সড়কসমূহ উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায়।চসিক প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জিইসি,২ নম্বর গেট, শুলকবহর দুই ফ্লাইওভারের মাঝখানে, পুরাতন চান্দগাঁও থানা এলাকা, ইডিজেড, কাঠগড়সহ পৃথক ১৮ মোড়ে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। জিইসি মোড়ের ফুট ওভারব্রিজটি আগামী জুন মাসের মধ্যেই কাজ শেষ করা হবে।এতে নির্মাণ নকশায় দেখা গেছে, ফুট ওভারব্রিজটিতে ওঠানামার জন্য চারটি সিঁড়ি থাকবে। জিইসি কনভেনশন, জামান হোটেল, কামাল স্টোর ও সেন্ট্রাল প্লাজার সামনে থাকবে সিঁড়িগুলো। ফুট ওভারব্রিজের প্রস্থ হবে ৩ দশমিক ৬ মিটার। ব্রিজটির মাঝখানে রাউন্ড করা হবে।সড়ক থেকে ফুট ওভারব্রিজটির উচ্চতা হবে ৬ দশমিক ৩ মিটার। তবে ফ্লাইওভার থেকে ১ দশমিক ২ মিটার নিচে থাকবে। ব্যবহারকারীরা সিঁড়ি দিয়ে মোড়ের যেকোনো প্রান্তে যেতে পারবেন।সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে।সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,পর্যায়ক্রমে প্রকল্পভুক্ত সবগুলো ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ করব। নগরবাসী এর সুফল পাবে।এদিকে জিইসি মোড়ে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। কেননা, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি যেতে হলে এই মোড় ব্যবহার করতে হয় যানবাহনগুলোকে। ব্যস্ত এই মোড়ে পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোড় পার হয় পথচারীরা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন,দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘনবসতিপূর্ণ শহর ফুটপাতের পরিবর্তে সড়কে চলাচল করা,পর্যাপ্ত বাস ও ট্রাক টার্মিনাল না থাকা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লাইসেন্সবিহীন চালক এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংসহ নানা কারণে সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।গত বছর প্রকাশিত ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়াদের ৫৬ শতাংই পথচারী। রাস্তা পার হতে গিয়ে বেশিরভাগ সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। যারা ফুট ওভারব্রিজ থাকলে নিরাপদে সড়ক পার হতে পারত। ফলে নগরে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।