ঢাকা | এপ্রিল ১০, ২০২৬ - ১১:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রাজধানীর পৃথক বাসায় মিলল দুজনের মরদেহ

  • আপডেট: Sunday, February 22, 2026 - 7:27 pm

ঢামেক সংবাদদাতা।। রাজধানীর লালবাগের শহীদ নগর ২ নম্বর গলির একটি বাসা থেকে মো. চুন্নু সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে নিউমার্কেট থানাধীন এলিফ্যান্ট রোডের ওয়াজ ঊদ্দিন টাওয়ারের একটি ফ্ল্যাট থেকে খাদিজা আক্তার (২৩) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার ভিন্ন সময়ে এসব মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মৃত চুন্নুর গ্রামে বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদী থানার বাইলাতলী গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আফাল উদ্দিন সরদার। বর্তমানে, লালবাগের শহীদ নগর ২ নম্বর গলির ২১/৫ নম্বর বাসায় থাকতেন। চুন্নু চার মেয়ের জনক ছিলেন।

চুন্নুর রুমমেট সুরুজ কবিরাজ বলেন, ‘আমরা দুজন শহীদ নগরের ২ নং গলির ২১/৫ নম্বর একটি বাসায় থাকতাম। চুন্নু একটি জুতার কারখানায় কাজ করত। চুন্নু শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকার কারণে নিজের শরীরের উপরে তিক্ত হয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে আমরা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানাই।’

লালবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে শহীদ নগর ২নং গলি একটি বাসা থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

অপরদিকে, নিউমার্কেট থানাধীন এলিফ্যান্ট রোডের ওয়াজ ঊদ্দিন টাওয়ারের একটি ফ্ল্যাট থেকে খাদিজা আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত খাদিজার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার মহাদেবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল খালেক। বর্তমানে এলিফ্যান্ট রোডে ওয়াজ উদ্দিন টাওয়ারে সাবলেট হিসেবে ভাড়া থাকতেন।

নিউমার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ সূত্রধর বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে গত রাতের দিকেএলিফ্যান্ট রোড ওয়াজ উদ্দিন টাওয়ারের ১৪/ডি ফ্ল্যাট থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করি।’

এসআই আরও বলেন, ‘আমরা স্থানীয় লোকের মুখে জানতে পারি স্বামী–স্ত্রী ওই ফ্ল্যাটে ৬/৭ পূর্বে সাবলেট থাকত। নিহত খাদিজা তার স্বামী সাকিনকে প্রায় সময় বলত তোমার নিজের বাড়ি নিয়ে যাও, সাকিন এই বিষয়ে এড়িয়ে চলত। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সাকিন গত বৃহস্পতিবার খাদিজাকে একা রেখে বাসা থেকে চলে যায়। এ নিয়ে শনিবার রাতের কোনো একসময় নিজ রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকেন খাদিজা। খবর পেয়ে আমরা তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’