ঢাকা | আগস্ট ৩০, ২০২৫ - ৫:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

দেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ: ইসি আনোয়ারুল

  • আপডেট: Friday, August 29, 2025 - 9:18 am

জাগো জনতা অনলাইন।। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দুদিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠান তিনি এ মন্তব্য করেন।

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

তিনি বলেন, ঘরে ফেরার আর কোনো পথ খোলা নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, এর দায় নির্বাচনি কর্মকর্তাদেরও বহন করতে হবে। জীবন ঝুঁকির মুখে পড়লেও নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ফাঁকিবাজি বরদাশত করা হবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তার মতে, সব ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে কোনো প্রকার ফাঁকিবাজি বা কারসাজি বরদাশত করা হবে না। তিনি নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে এবারের নির্বাচন আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

সিইসি বলেন, ‘নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আরও অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ সামনে আসবে। যেকোনো ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ আসলে সেটা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের মূল কথাই থাকবে পেশাদারিত্ব, পেশাদারিত্ব এবং পেশাদারিত্ব। নিরপেক্ষতা, নিরপেক্ষতা এবং নিরপেক্ষতা। ১০০ ভাগ আইন মেনে কাজ করতে হবে।’

নাসির উদ্দিন আরো বলেন, ‘যোগাযোগ ভেঙে পড়া মানেই সবকিছু ভেঙে পড়া। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় বার্তা যেন সঠিকভাবে পৌঁছায়, সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে যে অর্থ ব্যয় করা হয়, সেটিকে ব্যয় নয় বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। আপনি যখন স্বাস্থ্য বা শিক্ষায় টাকা খরচ করেন, আসলে সেটি বিনিয়োগ। একইভাবে প্রশিক্ষণে ব্যয়ও একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।’