ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৬ - ৮:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

গণভোট ও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ইমাম-খতিবদের দায়িত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

  • আপডেট: Monday, February 2, 2026 - 7:24 pm

আহমদ বিলাল খান।
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজের ইমাম ও খতিবদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন। তিনি বলেন, গণভোটে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে জেলার দশটি উপজেলা থেকে আগত ইমাম ও খতিবরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিয়ে মানুষকে সচেতন করার ক্ষেত্রে মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ইমাম-খতিবরা খুতবা ও বয়ানের মাধ্যমে ভোটারদের গণভোট ও নির্বাচনের গুরুত্ব সহজভাবে তুলে ধরতে পারেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ফিল্ড সুপারভাইজার মো. পেয়ার আহমদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সিকান্দার, তবলছড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ শরীয়ত উল্লাহ, আল-আমিন ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম ছিদ্দিকী এবং লংগদু বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের সুপার হাফেজ ফোরকান আহমেদ।
বক্তারা বলেন, নির্বাচন ও গণভোট একটি পবিত্র দায়িত্ব। মসজিদ ও ধর্মীয় মঞ্চ থেকে বিভ্রান্তি নয়, বরং শান্তি, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। গুজব ও উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থেকে সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানান তারা।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া ইমাম ও খতিবরা জানান, তারা নিজ নিজ এলাকায় খুতবা, বয়ান ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে গণভোট ও নির্বাচন বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করবেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
সম্মেলন শেষে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও গণভোট নিশ্চিত করতে ইমাম-খতিবদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।