ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৬ - ৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

কাপ্তাইয়ে সরকারি অংশীদারিত্বের আগর বনায়নের গাছ কর্তন করে জায়গা জবর দখলের অভিযোগ

  • আপডেট: Saturday, February 21, 2026 - 7:39 pm

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি। বন বিভাগের ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আওতাধীন রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়নের দুর্গম ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার কুতুবদিয়া রেঞ্জের হরিণছড়া বিট এলাকায় সরকারি অংশীদারিত্বের আগর বনায়নের গাছ কর্তন করে ৫ একর জায়গা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১১৯ নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা এই প্রতিবেদককে বলেন, ঐ এলাকার মায়ারাম চাকমা, মংহলাপ্রু, বসন্ত কুমার তনচংগ্যা এবং থোয়াই পা অং মারমার পরিবারগণ আমাকে জানান যে, ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তনচংগ্যার ছেলে প্রেম কুমার তনচংগ্যার নেতৃত্বে কিছু লোক গত ১৫ ফেব্রুয়ারি হইতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি অংশীদারিত্বে সৃজিত ৫ একর আগর বনায়নের গাছগুলোর জুম কর্তন করে জায়গাটির জবর দখল করে নেন। আমি গতকাল শুক্রবার (২০শে ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে এর সত্যতা পাই এবং ছবি তুলে নিয়ে আসি। তিনি আরও বলেন, কাগজপত্র দেখে জানতে পারলাম যে, ২০০৮ সালে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ হতে বারুদ গোলা মৌজার কুতুবদিয়া রেঞ্জের হরিণছড়া বিট এলাকায় ১০ জন পাহাড়ি ও বাঙালি সরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আগর বনায়ন সৃজন করে। যার ফলে পাহাড়ি-বাঙালি পরিবারের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এই ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বন বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এদিকে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যোগাযোগ করা হলে ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তনচংগ্যা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জায়গাটি আমার। ২০০৮ সালে জুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাহাড়টি স্থানীয় ১০ জন পাহাড়ি-বাঙালিকে দেওয়া হলেও চুক্তিভিত্তিতে যার মেয়াদ ২০২০ সালে শেষ হয়ে গেছে।
ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার শাহজাহান আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি, জায়গাটি খুবই দুর্গম, আমি কালকে ঐ জায়গায় যাবো।