ঢাকা | নভেম্বর ২৯, ২০২৫ - ৩:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমারও রয়েছে: তারেক রহমান

  • আপডেট: Saturday, November 29, 2025 - 9:46 am

নিজস্ব প্রতিবেদক।। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানী বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে তার। এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ এবং স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই মর্মস্পর্শী বার্তা দেন তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে, যোগ করেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

আবেগঘন তারেক রহমান আরও বলেন, এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

তিনি বলেন, স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।