ঢাকা | এপ্রিল ৩, ২০২৬ - ৬:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানি নিশ্চিত করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট: Friday, April 3, 2026 - 4:42 pm

মোংলা প্রতিনিধি।। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, লবণ অধ্যুষিত উপকূলীয় এলাকার প্রত্যেকটা মানুষের জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করা হবে। প্রত্যেকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হবে পানির ট্যাংকি। যাতে সবাই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে সুপেয় পানির চাহিদা মিটাতে পারে। আর এই ট্যাংকি বিতরণের ক্ষেত্রে কে কোন দল মতের তা দেখা হবেনা। দল মত নির্বিশেষে সকলের ন্যার্যতা ও প্রাপতা বুঝিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে সকল সরকারী পুকুরগুলো পুন খনন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে ১০টি ক্রীড়া পল্লী হবে। এরমধ্যে বাগেরহাটের মোংলা-রামপালে একটি ক্রীড়া পল্লী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে ছেলে-মেয়েরা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। আর ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলার মধ্যে থাকলে মাদকসহ সকল অপরাধ কমে আসবে।

শুক্রবার সকালে বাগেরহাটের রামপালের পেড়িখালী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অন্ধত্ব প্রতিরোধ করুন শ্লোগানে ২০০৯ সাল থেকে মোংলা-রামপালে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় ১৭ বছরে লক্ষাধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদাণ করা হয়েছে। আর চোখের অপারেশন করা হয়েছে ১০ সহস্রাধিক মানুষের।

শুক্রবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে মোংলা ও রামপালের বিএনপিসহ তার সকল সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

শুক্রবার দিনভর এ চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদাণ করা হয়েছে। এ সময় রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী চশমা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এছাড়া চোখের ছানী ও নেত্রনালী অপারেশনের জন্য রোগী বাছাই করা হয়েছে। তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে চোখের অপারেশন করিয়ে দেয়া হবে।

 

বিনামুল্যে এই চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদাণ অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী খাঁন আলী আজম বলেন, লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম এখন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। তিনি এর আগে যখন শুধু একজন সমাজসেবক ও রাজনীতিক ছিলেন তখন থেকেই তিনি মানবতার সেবায় এই চক্ষু চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। এমপি ও প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি তার মানবতার সেবা অব্যাহত রেখেছেন।

উদ্দেশ্য একটাই, সেটা হলো সমাজ ও পরিবারের জন্য যারা এক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তারা আজ নানান কারণে অবহেলিত হয়ে পড়েছে। অনেকে অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে না পেরে অন্ধত্ব বরণ করছে। ফলে তারা পরিবারের বোঝা হয়ে পড়ছে। তাই এসব মানুষগুলো যতদিন বেচে থাকবে অন্তত চোখ নিয়ে বেচে থাকতে পারে, কারো উপর নির্ভরশীল হয়ে অসহায় জীবনযাপন করতে না হয়। সেজন্য এই বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার আয়োজন।