ঈদগাঁও উপজেলায় খননের জন্য ১৭টি খালের তথ্যাদি সংগ্রহ
ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি।
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা অর্জনে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কক্সবাজার জেলার আওতাধীন খালের বর্তমান অবস্থা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমে ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সারা দেশে খাল খনন/পুনঃখনন কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন এ সরকার। উক্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইস্যুকৃত পত্রের আলোকে জেলার আওতাধীন বিদ্যমান খালের বর্তমান অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংযুক্ত ছক মোতাবেক নির্ভুলভাবে পূরণপূর্বক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণের নির্দেশনা দিয়েছেন উক্ত কার্যালয়ের পরিচালক-১৪ সায়মা আক্তার। নির্দেশনা পত্রটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্সবাজার পৌঁছালে সাধারণ শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজিব সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের বরাবর একটি পত্র ইস্যু করেন। উক্ত পত্রের আলোকে ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভাঃ) আব্দুল জব্বার ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন আংশিক মৃত/সচল/বন্ধ খাল, ছড়া খাল ও নদীর হালনাগাদ তথ্যাদি সংগ্রহপূর্বক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করেছেন।
জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জানান, ঈদগাঁও, ইছাখালী, মাছুয়াখালী, জঙ্গল মাছুয়াখালী, ভোমরিয়া ঘোনা, পোকখালী ও নাপিতখালী মৌজা থেকে এরূপ ১৭টি খাল, ছড়া ও নদী খনন সংক্রান্ত তথ্যাদি সংগ্রহ করা হয়।
প্রেরিত খাল/পুকুরের নামসমূহ হচ্ছে ইছাখালী মৌজার লোজাজজোরা জিয়া খাল, ঈদগাঁও মৌজার ইউসুফ ভরাট খাল বা বোয়ালখালী খাল, ঈদগাঁও মৌজার মাইজ পাড়া ভরাট খাল ও জালালাবাদ বাহার ছড়া জিয়া খাল, মাছুয়াখালী মৌজার চাঁন্দের ছড়া খাল ও জাইককা কাটা খাল, ঈদগাঁও মৌজার ঈদগাঁও নাসি খাল ও ঈদগাঁও ছড়া খাল, মাছুয়াখালী মৌজার কালিরছড়া খাল, জঙ্গল মাছুয়াখালী মৌজার ভাদিতলা খাল, ভোমরিয়া ঘোনা মৌজার ঈদগাঁও শিয়া পাড়া খাল, পোকখালী মৌজার বানিয়ারজুরা খাল ও ফরাজী ঘোনা খাল, গোমাতলী মৌজার দক্ষিণের ঘোনা খাল, নাপিতখালী মৌজার নাপিতের ছড়া খাল ও নাপিতখালী ইসলামপুর লবণের মিল সংযোগ খাল এবং ভোমরিয়া ঘোনা, পোকখালী ও গোমাতলী মৌজার ঈদগাঁও নদী।
প্রেরিত তথ্য ছক পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবচেয়ে বড় খাল হচ্ছে ঈদগাঁও নদী, যার দৈর্ঘ্য ৪৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৫০ ফুট। উপকৃত এলাকার আয়তন হচ্ছে ৩৬৮১ একর এবং উপকৃত জনসংখ্যা হচ্ছে ৭০ হাজার জন। আর সবচেয়ে ছোট খাল হচ্ছে বানিয়ারজুরা খাল, যার দৈর্ঘ্য ১.৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ ফুট। উপকৃত এলাকার আয়তন ১০০ একর এবং উপকৃত জনসংখ্যা ৯০০০ জন।











