ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২৬ - ১:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রমজানে মিরসরাইয়ে ঊর্ধ্বমুখী ফলের বাজার, কেনার সামর্থ্য নেই অনেকের

  • আপডেট: Monday, February 23, 2026 - 7:48 pm

মিরসরাই প্রতিনিধি।।
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় পবিত্র রমজানকে ঘিরে সব ধরনের ফলের দাম বেড়ে গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৮০ টাকা বাড়িয়েছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে তাদের দাবি, আড়তে প্রতি কার্টনে দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভা অবস্থিত সব বাজারে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি গ্রিন আপেল বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা। মাল্টা প্রতি কেজি ৩২০ টাকা। আনার ৫০০ টাকা, গ্রিন আঙুর ৪০০, কালো আঙুর ৬০০ টাকা, নাগফল ৪৮০ টাকা, নাশপতি ৩৫০ টাকা ও চায়না কমলা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি আপেল বিক্রি হয়েছে ২৮০-৩০০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪২০ টাকা। এক কেজি মাল্টা বিক্রি হয়েছে ২৫০-২৮০ টাকায়, এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা। প্রকারভেদে কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০-৮০ টাকা। এতে করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ফল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, আড়তদারদের কাছ থেকে তাদের দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আড়তদারদের দাবি, আমদানিকারকরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
ঠাকুরদীঘি বাজারের ফল ব্যবসায়ী একরাম হোসেন বলেন, ১০ দিন আগেও এক কার্টন (১৮ কেজি) আপেল ক্রয় করেছি ২৭০০-২৮০০ টাকায়। এখন তা কিনতে হচ্ছে ৪২০০-৪৫০০ টাকায়। একইভাবে কমলা, আঙুর, নাশপতি, আমসহ সব ফলের দাম বেড়েছে। তার মধ্যে কার্টনে অনেক সময় ফল নষ্ট থাকে। গত কয়েকদিন ধরে ফলের ব্যবসা করে আমরাও লোকসানে আছি। এছাড়া পেয়ারা, সফেদা, ডাবের দামও বেড়ে গেছে।
মিরসরাই পৌর বাজারের ফল ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম বলেন, ১৫ দিন আগেও ফলের দাম স্বাভাবিক ছিল। এক সপ্তাহ আগে থেকে হঠাৎ ফলের দাম বেড়ে গেছে। আমরা আগের তুলনায় দোকানে মাল কম তুলেছি। বেশি দাম হওয়ায় কাস্টমারও কম আসছে।
মিরসরাই পৌর সদরে বাজার করতে আসা এমরান হোসেন বলেন, ফলের দাম এত বেশি বেড়েছে যে, সাধারণ মানুষ কিনে খাওয়ার মতো অবস্থা নেই। প্রতি বছর রমজানে ফলের দাম বেড়ে যায়।
বাজারে ফল ক্রয় করতে আসা মিঠানালা এলাকার জাবেদ হোসেন বলেন, ফলের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। এক কেজি আপেল, এক কেজি মাল্টা নিয়েছি ৬৯০ টাকা দিয়ে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে নীরবে অনেক কষ্টই সহ্য করতে হয়।