ঢাকা | জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ - ২:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

মোংলায় বিএনপিতে যোগ দিলেন হিন্দু-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ৩ শতাধিক মানুষ

  • আপডেট: Sunday, January 25, 2026 - 9:59 pm

স্টাফ রিপোর্টার, মোংলা।। বাগেরহাটের মোংলায় হিন্দু-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের তিন শতাধিক মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

আজ রোববার রাত ৮টার দিকে পৌর শহরের হোটেল টাইগারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ধানের শীষ প্রতীকের এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-০৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

এ সভায় উপস্থিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের হাতে হাত রেখে বিএনপিতে যোগ দেন।

পরে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম তাদের সাদরে গ্রহণ করেন এবং শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় হিন্দু, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষরা বলেন, আমরা বিগত সময়ে অন্য রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতি আমরা বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। এর আগে আমরা যে দলে ছিলাম তারা শুধু আমাদের ব্যবহার করেছে, আর সংখ্যালঘু তকমা লাগিয়ে আমাদের বিভাজন করে রেখেছিল। কিন্তু বিগত ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি আমাদের সর্বাত্মক সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়েছে।

তার পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা আজ ধানের শীষের বহরে শামিল হয়েছি এবং বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। আমরা জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে শুধু নিরাপত্তা চাই, আর কিছু না।

এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার ও হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত মজুমদার।

সদ্য বিএনপিতে যোগদান করা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মোংলা-রামপালের প্রার্থী লায়ন শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, তাদের জন্য শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

আর তারা কেউই সংখ্যালঘু নয়, সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, এটা বিগত সময়ে একটি গোষ্ঠীর তকমা মাত্র। সংখ্যালঘু তকমা দিয়ে তাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘু নামক তকমা আর থাকবে না। কারণ সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ এদেশেরই নাগরিক। সবারই সমান অধিকার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এ এলাকার হিন্দু-খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের লোকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব এবং সর্বদা পাশে থাকব। কেউ কোনো অত্যাচার-নির্যাতন ও দখলবাজি করতে পারবে না