মহালছড়ি সরকারি কলেজে ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও নবীন বরণ
মহালছড়ি প্রতিনিধি।। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। প্রভাষক একিউট চাকমার সঞ্চালনায় এবং অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদুল আলম চৌধুরী, প্রভাষক জ্ঞান চাকমা, অধ্যাপক দেশপ্রীয় বড়ুয়া, সকল প্রভাষক, কলেজ ছাত্র প্রতিনিধি মো. সাজ্জাদ হোসেন রাজু এবং নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাম্মদ রিপাদ।
শিক্ষকরা তাদের বক্তব্যে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মাধ্যমিক থেকে কলেজে উত্তীর্ণ হওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। বড় সফলতা পেতে হলে এখন থেকেই নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে, একাডেমিক বই গভীরভাবে অধ্যয়ন করতে হবে এবং বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হতে হবে। এসময় তারা শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জন ও সফল ব্যক্তিত্ব গঠনে নানা দিকনির্দেশনা, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
আলোচনা সভার পর কলেজ কর্তৃপক্ষের আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করে।
আরও পড়ুন
-
জাপানি প্রতিনিধি দলের এনএমআই পরিদর্শন: বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য নতুন চাকরির সম্ভাবনাচট্টগ্রাম ব্যুরো বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের ইঙ্গিত মিলেছে জাপানের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের চট্টগ্রাম ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (এনএমআই) পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে। গত ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাপানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দল ইনস্টিটিউটটি পরিদর্শন করে বাংলাদেশি নাবিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রতিনিধি দলে জাপানের মেরিটাইম ব্যুরোর অকুপেশনাল হেলথ পলিসি ডিভিশনের ডিরেক্টর কাজুনারি ইয়োকোটা এবং একই বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার তোমোআকি মুরাকামি উপস্থিত ছিলেন। তাদের এ সফরকে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিদর্শনকালে তারা ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, অবকাঠামো ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় বাংলাদেশি নাবিকদের দক্ষতা, প্রশিক্ষণের মান এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রতিনিধি দল উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের নাবিকরা পরিশ্রমী, দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা রাখেন। আলোচনায় জাপানের জাহাজ শিল্পে দক্ষ নাবিকের চাহিদা এবং সেই চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভূমিকা গুরুত্ব পায়। জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক প্রশিক্ষিত নাবিক নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতা ও বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এনএমআই কর্তৃপক্ষ জানায়, জাপানের সঙ্গে এ ধরনের সহযোগিতা জোরদার করা গেলে দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ নাবিকের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সামুদ্রিক খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে। ভবিষ্যতে নতুন চুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময় কার্যক্রমের সম্ভাবনাও তৈরি হবে। সার্বিকভাবে, জাপানের এই প্রতিনিধি দলের সফর বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এটি নাবিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।










