ঢাকা | এপ্রিল ৬, ২০২৬ - ৮:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বিদ্যুৎ-চালিত সেচপাম্পের মোটরে কাপড় পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু

  • আপডেট: Monday, April 6, 2026 - 4:03 pm

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় বিদ্যুৎ-চালিত সেচপাম্পের মোটরে কাপড় পেঁচিয়ে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড চরপালং কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রোজিনা চরপালং গ্রামের ভ্যানচালক ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী। তাঁর এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইরি ধানের খেতে পানি সেচ দিতে চরপালং এলাকায় কীর্তিনাশা নদীর পানি ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ-চালিত পাম্প মেশিন স্থাপন করেন ব্লক ম্যানেজাররা। আজ সোমবার সকালে রোজিনা বেগম সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় অসাবধানতা বসত পাম্পের মোটরে তাঁর কাপড় পেঁচিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে রোজিনা বেগম পাম্পের মোটরের ভেতর চলে যান এবং মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে পাম্পের মোটরে প্যাঁচানো অবস্থায় আটকে পড়ে রোজিনা বেগমের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। রোজিনা বেগমের চাচাতো ভাই বাদশা ব্যাপারী বলেন, ‘ইরি ব্লকে পানি দেওয়ার জন্য নদীর পাড়ে পথের ওপর বিদ্যুৎ-চালিত সেচপাম্প বসিয়েছেন ব্লক ম্যানেজার মজিবর খান ও কাশেম মোল্লা। এই পথ দিয়ে নদীর পাড়ের মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে। কিন্তু পথের ওপর এমনভাবে পাম্প বসিয়েছে, যার ফলে মানুষ চলাচল করতে কষ্ট হয়। এ ছাড়া মেশিনটি বিপজ্জনক অবস্থায় খোলামেলাভাবে রাখা হয়েছে। নিয়ম হচ্ছে মেশিনটি একটি ছোট ঘরের মধ্যে রাখা অথবা চারপাশে বেড়া দিয়ে আটকিয়ে দেওয়া। কিন্তু ব্লকের লোকজন সেটা না করায় আজকে এই দুর্ঘটনা ঘটে গেল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ ব্লক ম্যানেজার কাশেম মোল্লা বলেন, ‘আমরা পাম্পের চারপাশে বেড়া দিয়েছিলাম। কিন্তু কারা যেন বেড়া খুলে নিয়ে গেছে। এ কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।’ পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।