পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় কঠিন কর্মসূচি: কাজী মজিবর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক।। পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে নিয়ে বানোয়াট সংবাদ সম্মেলনসহ সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের প্রতিবাদ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার বিকালে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের (পিসিএনপি) কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। তিনি বলেন, ৫২ বছর পর আমরা মন্ত্রী পেয়েছি। কিন্তু সেটা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩৫ জন পাহাড়ির বিবৃতিসহ ভুঁইফোড় সংগঠনের নেতারা বানোয়াট সংবাদ সম্মেলন করেছে। যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি আরো বলেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি, ঈদের পরে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তারা (পহাড়িসহ দুষ্কৃতকারী) বড় ধরনের কর্মসূচি পালন করবে। আমরা তাদের বলতে চাই, আমরা তার চেয়ে বড় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবো, ইনশাআল্লাহ। প্রয়োজনে মীর হেলালের মন্ত্রীত্ব ধরে রাখতে পার্বত্য তিন জেলা অচল করে দেয়া হবে। তবুও পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে মাথা নতো করবো না।
তিনি মীর হেলাল পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদের পুর্নবাসনসহ অধিকার রক্ষায় কাজ করে গেছেন। সেজন্য পার্বত্য বাঙালিরা আজও তার জন্য আফসোস করে। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীও জেনো তার বাবার পথে হাটে। একইসঙ্গে পাহাড়ে বাঙালিদের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসে।
অনুষ্ঠানে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমেদ রাজু , কেন্দ্রিয় সহ সভাপতি অধ্যাক্ষ আবু তাহেরসহ পিসিসিপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাহাদাৎ ফরাজি সাকিব , কেন্দ্রীয় সভাপতি সাহাদাৎ হোসেন কায়েজ, ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি রাসেল মাহমুদ ও সাধারন সম্পাদক রিয়াজুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
তারা বলেন, মীর হেলাল যদি পাহাড়ি হতো, তাহলে এতো নাটক হতো না। সারাজীবন পাহাড়িরা লুটেপুটে খেয়েছে, তবুও শান্তি নেই। পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে দুই জেলায় তাদের এমপি। আবার তিন জেলা পরিষদসহ সবখানে তাদেরই লোক। শধু আমাদের একজন প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় তাদের চুলকানি। তারা পাহাড়িদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে নিয়ে সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করা হয়। পরে ইফতারে আগ মূহুর্তে সবাইকে নিয়ে দোয়া ও ইফতার করা হয়।











