ঢাকা | জানুয়ারী ২২, ২০২৬ - ৪:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন, শুরু আনুষ্ঠানিক প্রচারণা

  • আপডেট: Wednesday, January 21, 2026 - 7:25 pm

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতিনিধি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নির্দেশনা অনুসরণ করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দ অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহম্মদ কবির করিম পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল ইসলাম তানজিন পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। জনতার পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম নওশাদ পেয়েছেন কলম প্রতীক। স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জিন্নাত আরা পেয়েছেন হরিণ প্রতীক। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ও দলটির প্রার্থী ড. সাইফুদ্দিন মাইজভাণ্ডারি পেয়েছেন একতারা প্রতীক।
এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এবং বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
প্রতীক বরাদ্দের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করেন। অন্যান্য প্রার্থীরাও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে মাঠে নামবেন। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, যেখানে সব প্রার্থী পাবেন সমান সুযোগ।