ঢাকা | মে ২৩, ২০২৬ - ২:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

ইতিহাস গড়ে প্রথমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি পদে একজন আলেম

  • আপডেট: Friday, May 22, 2026 - 11:40 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ পেয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুহাম্মাদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে ওই পদে এক বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে‌। তিনি বেতন কাঠামোর সর্বোচ্চ গ্রেডে (গ্রেড-১) বেতন-ভাতা পাবেন।

মুহিববুল্লাহিল বাকী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বর্তমান মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খানের (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) স্থলাভিষিক্ত হবেন।

কোরআন ও হাদিসের আলোকে জুমার দিনের আমল
প্রথমবারের মতো কোনো আলেমকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দিলে সরকার। এর আগে এই পদে সাধারণত প্রশাসন ক্যাডারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, বিচারক বা সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন ১৯৭৫-এর ধারা ৫ (ক)(১) ও (২) অনুযায়ী জনাব মুহিব্বুল্লাহিল বাকীকে অন্য যে কোনো পেশা,ব্যবসা, কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর মেয়াদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

যোগদানের তারিখ থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জন্ম নেওয়া মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী কওমি, আলিয়া ও প্রচলিত শিক্ষা ধারায় সমানভাবে শিক্ষিত একজন আলেম হিসেবে পরিচিত। তিনি চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা, ভারতের দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। কওমি ধারায় দাওরায়ে হাদিস, আলিয়া ধারায় কামিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে তিনি প্রথম শ্রেণি অর্জন করেন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ছাড়াও তিনি চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে ইমামতি করেছেন। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মসজিদে খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সবশেষ তিনি সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিল ফর ইসলামী ব্যাংকস অব বাংলাদেশ-এর মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

মুহিববুল্লাহিল বাকী মিশর ও ভারতে আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।